X
রবিবার, ০৩ জুলাই ২০২২
১৯ আষাঢ় ১৪২৯

কলকাতায় রিয়েল এস্টেটে বিপুল বিনিয়োগ পি কে হালদারের

আপডেট : ১৬ মে ২০২২, ২৩:০৪

বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে তিন হাজার ৬০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ মামলার মূল অভিযুক্ত প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদার কলকাতার রাজারহাট-নিউটাউনে রিয়েল এস্টেট ব্যবসায় বিপুল পরিমাণে টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন। এমনটাই জানা গিয়েছে। গত শুক্রবার বাংলাদেশ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে উত্তর ২৪ পরগণার অশোকনগর থেকে প্রশান্ত কুমার হালদারসহ তার ৬ সহযোগীকে গ্রেফতার করে ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ইনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। শনিবার তাদের আদালতে তোলা হলে বিচারকের নির্দেশে পি কে ও তার সহযোগীদের ৩ দিনের রিমান্ডে নেয় ইডি। রিমান্ড শেষে মঙ্গলবার ফের তাদের কলকাতার ব্যাঙ্কশাল আদালতে পেশ করবে ইডি।

শনিবার থেকেই কলকাতার সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দফতরে পি কে ও তার সহযোগীদের দফায় দফায় জেরা করছেন গোয়েন্দারা। জানা গিয়েছে, ৪০টিরও বেশি প্রশ্নের একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছে। সে অনুযায়ী পি কে হালদারকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। মূলত বাংলাদেশ থেকে হুন্ডির মাধ্যমে ভারতে পাচার করা অর্থ পি কে কোথায় কোথায় বিনিয়োগ করছেন সে সব তথ্য বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছেন গোয়েন্দারা। পি কে ও তার ভাই প্রীতিশকে আলাদাভাবে, কখনও মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদও করা হচ্ছে। শনিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত জেরার থেকে পাওয়া সব তথ্য আদালতে পেশ করে, তদন্তের স্বার্থে ফের তাদের রিমান্ডে আবেদন করা হতে পারে এমন সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

এদিন পি কে হালদারের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যান ইডির আধিকারিকরা। এসময় সাংবাদিকরা তাকে প্রশ্ন করেন, ‘বাংলাদেশে ফিরে যেতে চান কীনা?’ কিছুক্ষণ চুপ করে থাকলেও পরে তিনি বলেন,‘আমি দেশে ফিরতে চাই। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা ভিত্তিহীন।’ ফের সাংবাদিকরা তাকে জিজ্ঞেস করেন,‘তাহলে বাংলাদেশ থেকে পালালেন কেন?’ এ প্রশ্নের উত্তর দেননি পি কে।

এদিকে জানা গিয়েছে, শুধু মাছের ভেড়ি নয়, কলকাতার লাগোয়া রাজারহাট-নিউটাউনে রিয়েল এস্টেট ব্যবসায় বিপুল বিনিয়োগ করেছিলেন পি কে হালদার।  অশোকনগর যেখান থেকে পি কে হালদারকে গ্রেফতার করা হয়েছে সেখানে শিবশঙ্কর নামে স্থানীয় মানুষজনের কাছে পরিচিত থাকলেও তার আসল নাম কোথাও গোপন করেননি পি কে। নিজের নামে সরাসরি কোনও সম্পত্তিও কেনেননি। রাজারহাট-নিউটাউন এলাকায় সমস্ত সম্পত্তি পি কে লিজ প্রোপার্টি হিসাবে নিজের দখলে রেখেছিলেন। নিজেকে ভাড়াটিয়া হিসাবেই দেখিয়ে এসব সম্পত্তি তিনি ভোগ-দখল করছিলেন। এ ধরনের সম্পত্তি পরিমাণ কত তার তথ্য জানার চেষ্টা করছেন গোয়েন্দারা।

জানা গিয়েছে, কলকাতায় গ্রেফতার হওয়া বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জের সেভেন স্টার মামলার প্রধান আসামি নূর হোসেনের মতো পি কে হালদারকে বাংলাদেশের হাতে তুলে দেওয়া হতে পারে দুদেশের মধ্যে থাকা বন্দি বিনিময় চুক্তির অনুসারে। ইডির তদন্ত শেষ হলেই অভিযুক্তদের পাঠানো হবে বাংলাদেশে।

 

/এমআর/
বাংলা ট্রিবিউনের সর্বশেষ
১২ কোটি টাকায় সমঝোতার অভিযোগ, আইনজীবীর ব্যাংক হিসাব জব্দ
১২ কোটি টাকায় সমঝোতার অভিযোগ, আইনজীবীর ব্যাংক হিসাব জব্দ
বিএনপির ত্রাণ কার্যক্রম এক ধরনের বিলাস: কাদের
বিএনপির ত্রাণ কার্যক্রম এক ধরনের বিলাস: কাদের
ঈদে আসছে ইমরানের ‘ঘুম ঘুম চোখে’
ঈদে আসছে ইমরানের ‘ঘুম ঘুম চোখে’
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দুই দেশের সমঝোতায় ক্ষুব্ধ পিয়ংইয়ং
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দুই দেশের সমঝোতায় ক্ষুব্ধ পিয়ংইয়ং
এ বিভাগের সর্বশেষ
১২ কোটি টাকায় সমঝোতার অভিযোগ, আইনজীবীর ব্যাংক হিসাব জব্দ
১২ কোটি টাকায় সমঝোতার অভিযোগ, আইনজীবীর ব্যাংক হিসাব জব্দ
ট্রেনের টিকিট বিক্রি শেষ হলেও পরের দিনের জন্য লাইনে!
ট্রেনের টিকিট বিক্রি শেষ হলেও পরের দিনের জন্য লাইনে!
ঈদের আগে পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল ‘চলছে না’
ঈদের আগে পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল ‘চলছে না’
আড়াই ঘণ্টাতেই শেষ ৮২ ভাগ টিকিট 
আড়াই ঘণ্টাতেই শেষ ৮২ ভাগ টিকিট 
ভারতে প্রবেশ নিয়ে ছড়ানো তথ্য ভিত্তিহীন: ভারতীয় হাইকমিশন
ভারতে প্রবেশ নিয়ে ছড়ানো তথ্য ভিত্তিহীন: ভারতীয় হাইকমিশন