বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট জাতির পিতাসহ তার পরিবারের সদস্যদের নৃশংসভাবে হত্যার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্র বানানোর নীলনকশা তৈরি করেছিল পাকিস্তানি প্রেতাত্মারা। তাদের ষড়যন্ত্রকে ধূলিসাৎ করে, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশে প্রত্যাবর্তন করে আওয়ামী লীগের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন ও দেশকে সমৃদ্ধির পথ দেখিয়েছেন শেখ হাসিনা। সম্প্রতি জাতিসংঘ তাকে বিশ্বের সেরা তৃতীয় প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে ভূষিত করেছে।
মঙ্গলবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সম্প্রীতি বাংলাদেশ আয়োজিত ‘শুভ জন্মদিন তিমির হননের নেত্রী’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
ডেপুটি স্পিকার বলেন, বিশ্বে এমন নজিরবিহীন জঘন্য হত্যাকাণ্ডের পর, নিজের পরিবারকে হারিয়ে হয়তো কেউই দেশে ফেরার সাহস পেত না। জাতির পিতার কন্যা বলেই তিনি পিতার আজন্ম স্বপ্নকে বাস্তবায়ন ও দেশ পুনর্গঠনে, মৃত্যুকে ভৃত্য বানিয়ে দেশে ফিরলেন।
তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা সম্প্রীতির শিক্ষা পেয়েছেন তার পরিবার থেকে। তার পরিবার সারাজীবন অসাম্প্রদায়িক দেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে লড়াই করে গেছেন।
আলোচনায় প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রহমান।
‘সম্প্রীতি বাংলাদেশ’ এর আহবায়ক পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব অধ্যাপক মামুন আল মাহতাবের সঞ্চালনায় আলোচনা অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন প্রফেসর হারুন অর রশিদ, ইউজিসির সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর আব্দুল মান্নান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর নিজামুল হক ভূইয়া, সাবেক তথ্য কমিশনার প্রফেসর সাদেকা হালিমসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।








