জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মো. শামসুল হক টুকু বলেছেন, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুসহ সব শিশুকে মানবসম্পদে পরিণত করে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার যাত্রায় তাদের উন্নয়ন সহকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। সব সন্তানকে নিজের পরিবারের সদস্য মনে করে সমাজের সবাইকে সরকারের পাশাপাশি যথাযথ অবদান রাখতে হবে।
মঙ্গলবার (৮ নভেম্বর) বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদের (বাশিকপ) উদ্যোগে রাজধানীর তোপখানা রোডে শিশু কল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনে বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহ-২০২২-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‘গড়বে শিশু সোনার দেশ, ছড়িয়ে দিয়ে আলোর রেশ’ প্রতিপাদ্যে ছিল এই আয়োজন।
ডেপুটি স্পিকার বলেন, মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুরাও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করার ক্ষেত্রে সাধ্য অনুযায়ী প্রত্যক্ষ ভূমিকা পালন করেন। স্বাধীনতার অব্যবহিত পরই বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুসহ সব শিশু ও নারী-পুরুষ সবার সমান অধিকার প্রতিষ্ঠায় সংবিধানে কয়েকটি ধারা সংযুক্ত করা হয়।
জাতির পিতার দৌহিত্রী ও শেখ হাসিনার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ হোসেন পুতুল অটিজম নিয়ে অসামান্য অবদান রাখায় সারা বিশ্বে প্রশংসিত হয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার শিশুদের অধিকার রক্ষায় ও তাদের মানবসম্পদে পরিণত করতে বিভিন্ন ভূমিকা পালন করছে। সরকার বিশ্বাস করে, ২০৪১ সালের মাঝে উন্নত দেশ গড়তে হলে শিশু-নারী-পুরুষ সবার অবদান রাখা প্রয়োজন।
ডেপুটি স্পিকার মো. শামসুল হক টুকু ফিরোজা বারী শিশু হাসপাতালের হিমোফিলিয়া ওয়ার্ডসহ কয়েকটি ওয়ার্ড পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি জন্মগত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত শিশু ও তাদের পরিবারের সদস্যদের মাধ্যমে রোগের উৎপত্তি ও চিকিৎসা ব্যবস্থার বিষয়ে খোঁজ-খবর নেন। এছাড়া এই উদ্যোগকে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া প্রয়োজন বলে তিনি মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে শিশু-কিশোরদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
সংগঠনের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. মাখদুমা নার্গিসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের অধিনায়ক, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. জাকারিয়া পিন্টু, বাশিকপের সাধারণ সম্পাদক মনিরুল আলম ও সাবেক রাষ্ট্রদূত মশয়ূদ মান্নান।









