ডিএমপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা দিবস

থানায় সেবার মানোন্নয়নই চ্যালেঞ্জ

রিয়াদ তালুকদার
১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১২:০০আপডেট : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১৬:৫৪

ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) প্রতিষ্ঠার ৪৮ বছর পেরিয়ে ঊনপঞ্চাশে এসে রাজধানীর থানাগুলো এখনও জনবান্ধব হয়ে উঠতে পারেনি। মামলা বা সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে গিয়ে এখনও অনেকে হয়রানির শিকার হন। যদিও এখন অনলাইনেই করা যাচ্ছে জিডি। তারপরও সশরীরে গিয়ে পুলিশ সদস্যদের নেতিবাচক আচরণের মুখোমুখি হন অনেকে। এ অবস্থায় থানাগুলোতে সেবার মান বাড়াতে নেওয়া হয়েছে নানা উদ্যোগ। থানায় জিডি বা মামলা করতে গিয়ে কোনও পুলিশ সদস্যের নেতিবাচক আচরণ কিংবা তারা টাকা-পয়সা চাচ্ছে কিনা সে বিষয়েও ভুক্তভোগীদের ফোন করে খোঁজ-খবর নিচ্ছে ডিএমপি। থানার অফিসার ইনচার্জদেরও (ওসি) বিভিন্নভাবে মোটিভেট করা হচ্ছে। অভিযোগ পেলে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

ডিএমপিতে বর্তমানে ৩২ হাজার পুলিশ ৫০টি থানার মাধ্যমে ২ কোটি নগরবাসীকে নিরাপত্তা দিচ্ছে। অপরাধ তদন্ত ও রহস্য উন্মোচনে সাফল্যসহ বিভিন্ন মানবিক সহায়তায় অংশ নিয়ে প্রশংসিত হচ্ছে বাহিনীটি। সেই সঙ্গে কারো কারো অপেশাদার আচরণের কারণে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে পুলিশে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জনবান্ধব পুলিশ গড়তে জনগণকে সম্পৃক্ত করার কথা বলা হয়‌। ডিএমপি এলাকায় কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম সেভাবে নেই। বিষয়টি কেন ফলপ্রসূ হলো না কিংবা কর্মকাণ্ড পরিচালনার বিষয়গুলো কোথায় আটকে আছে তা খুঁজে দেখা প্রয়োজন। এছাড়া ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার হয়েছে, তার পরিষেবা এবং সেন্টারের সংখ্যা বাড়ানো প্রয়োজন। তদন্তের ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার ছাড়াও অপরাধীর মনস্তাত্ত্বিক বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। সেই সঙ্গে থানায় সেবা নিতে আসা জনসাধারণের সঙ্গে ভালো আচরণ এবং তাদেরকে সর্বাত্মক সহায়তার মন-মানসিকতা গড়ে তোলার জন্য আচরণগত বিষয়ের ওপর পুলিশ সদস্যদের প্রশিক্ষণে জোর দেন তারা। এছাড়াও রাজনৈতিকভাবে পুলিশকে ব্যবহারের বিষয়টিও কমিয়ে আনতে কাজ করতে হবে।

ডিএমপি’র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলছেন, থানাগুলোর বিষয়ে সবসময় একই ধরনের অভিযোগ পাওয়া যায়। যারা মামলা বা জিডি করতে যান তারা অনেক সময় পুলিশ সদস্যদের খারাপ আচরণের সম্মুখীন হন। আবার অনেকেই টাকা দাবি করেন জিডি কিংবা মামলার জন্য। এ ধরনের অভিযোগ থেকে রক্ষা পেতে এবং নগরবাসীকে স্বাচ্ছন্দ্যে পুলিশি সেবা নেয়ার জন্য থানাগুলোর প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। এ ধরনের ঘটনা যেন না ঘটে সেজন্য প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি থানায় ডিউটি অফিসারের রুমে সিসিটিভি মনিটরিং করা হচ্ছে। এছাড়া যারা জিডি বা মামলা করছেন তাদের ডিএমপি থেকে ফোন করা হচ্ছে। জানতে চাইছে মামলা বা জিডি করতে তাদের কোনও অর্থ দিতে হয়েছে কিনা কিংবা থানায় পুলিশের আচরণ কেমন ছিল।

ডিএমপি সূত্র বলছে, বারোটি থানা এবং ছয় হাজার পুলিশ নিয়ে ১৯৭৬ সালে যাত্রা শুরু করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। ৪৮ পেরিয়ে ৪৯ বছরে এসে বাহিনীর সদস্য যেমন বেড়েছে তেমনি দক্ষ-প্রশিক্ষিত সদস্য সংখ্যাও বেড়েছে। শুধু থানা পুলিশ নয় ডিএমপি এলাকার নগরবাসীর নিরাপত্তার কাজ করে যাচ্ছে গোয়েন্দা বিভাগ, ট্রাফিক বিভাগ, কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট। সবাই বলিষ্ঠভাবে কাজ করে যাচ্ছে জনগণের নিরাপত্তায়। অনলাইন জিডি চালু থাকায় যে কেউ অনলাইনে জিডি করতে পারছেন। আইন সংশোধন না হলে অনলাইনে মামলা নেওয়া সম্ভব নয়। পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের সার্টিফিকেট অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করলে দেওয়া হচ্ছে। হ্যালো অ্যাপ নামে একটি অ্যাপ চালু রয়েছে—যেখানে যে কেউ নিজের পরিচয় গোপন রেখে জঙ্গি কিংবা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি, মাদক ব্যবসায়ীসহ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিষয় জানাতে পারছেন। তাছাড়া ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিয়েও পুলিশি সেবা পাওয়া যাচ্ছে।

কর্মকর্তারা বলেন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ কিংবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় যে ধরনের সক্ষমতা রয়েছে সেই সক্ষমতা নিয়েই জনগণের নিরাপত্তায় কাজ করে যাচ্ছে ডিএমপির কর্মরত সদস্যরা। মানবিক পুলিশিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিএমপির প্রতিটি সদস্য কাজ করে যাচ্ছে। বিশেষ করে করোনাকালীন যখন মানুষ কর্মহীন ছিল বাসায় খাবার ছিল না পুলিশ সদস্যরা মাঠে থেকে ডিউটি করেছে। লকডাউন কার্যকর করেছে এবং অনেকের বাসায় খাবার পৌঁছে দিয়েছে। করোনায় আক্রান্ত হয়ে ১০৬ জন ডিএমপি সদস্য দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে মারা গেছেন। প্রায় ৮০০০ সদস্য আক্রান্ত হয়েছিল। সেই সময়ও জনগণের সেবা থেকে পিছিয়ে যায়নি ডিএমপির দায়িত্বরত সদস্যরা। ডিএমপি আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বলিষ্ঠভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এই আইনশৃঙ্খলা স্থিতিশীল থাকার কারণে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। অপরাধ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রেও মোটামুটি সফল। এ ব্যাপারে দক্ষতা এবং সফলতা রয়েছে।

ডিএমপির কর্মকর্তারা বলছেন, আগে মামলা তদন্তের ক্ষেত্রে আসামি গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদের পরিপ্রেক্ষিতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দির মাধ্যমে স্বীকারোক্তি আদায়ের চেষ্টা করা হতো। কিন্তু বর্তমানে ডিজিটালাইজেশনের কারণে প্রযুক্তিগত প্রসারের ধারাবাহিকতায় প্রযুক্তির সুবিধা নিয়ে তদন্তকারীরা বিভিন্ন অপরাধজনিত ঘটনার রহস্য উন্মোচন করছে। প্রযুক্তির মাধ্যমে কনক্লুসিভ এভিডেন্সের মাধ্যমে অপরাধীকে আদালতে হাজির করা হয়ে থাকে। আবার অপরাধীরা বিভিন্ন অপরাধের ধরন পাল্টাচ্ছে। অনেক অপরাধী আবার সাইবার অপরাধেও জড়িয়ে যাচ্ছে। সে বিষয়েও ডিএমপির সক্ষমতা রয়েছে এবং পেশাদারত্বের পরিচয় দিয়ে কর্মকর্তারা কাজ করে যাচ্ছেন।

ডিএমপি’র অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম) একেএম হাফিজ আক্তার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, থানা পুলিশকে সেবামুখী এবং জবাবদিহি করার জন্য ওপেন হাউজ ডে চালু রয়েছে। সেখানে স্থানীয় জনগণ থানার বিরুদ্ধে কিংবা কোনও কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানাবেন। কমন একটি অভিযোগ পাই—থানা পুলিশের পক্ষ থেকে সেবাপ্রত্যাশীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়। থানা পুলিশ যাতে দুর্ব্যবহার না করে জনবান্ধব হয় সে জন্য প্রিভেনটিভ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। থানাগুলোকে সিসিটিভির আওতায় মনিটরিং করা হয়েছে। থানায় সেবাপ্রত্যাশীরা ডিউটি অফিসারের সঙ্গে কিংবা অন্য কারও কাছ থেকে দুর্ব্যবহারের সম্মুখীন হয়েছে কিনা নজর রাখি। এটা হচ্ছে চাক্ষুষ দেখে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া।

তিনি বলেন, পরিবর্তন একটি চলমান প্রক্রিয়া। ব্রিটিশ আমলে গঠন হওয়া পুলিশ পরিবর্তনের ধারাবাহিকতায় আজকে আধুনিক পুলিশ হিসেবে জননিরাপত্তায় কাজ করে যাচ্ছে। ধীরে ধীরে পুলিশ আরও জনবান্ধব হবে, পুলিশের আরও দক্ষতা বাড়বে। এ জন্য সরকার কার্যকরী ব্যবস্থা নেবে এবং যুগোপযোগী আইনের বিষয়েও কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন তিনি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, রাজধানীতে বড় বড় রাজনৈতিক দলগুলোর কর্মসূচিতে নিরাপত্তা দেওয়া, বিশ্ব ইজতেমা, বইমেলাসহ বিদেশি খেলোয়াড়দের নিরাপত্তার বিষয়ে ডিএমপির অনেক সদস্য নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও কাজ করে যাচ্ছেন—তার জন্য তারা সাধুবাদ পাবেন। পুলিশি সেবার মানোন্নয়নের ক্ষেত্রেও অনেক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে অনলাইনে জিডি, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দেওয়া হচ্ছে। প্রযুক্তিকেন্দ্রিক তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ সাফল্য পাচ্ছে। থানাগুলোতে এফআইআর ও জিডি নাগরিকরা যেন অনলাইনে করতে পারে সে বিষয়ে কাজ করতে হবে। এফআইআর বা জিডি করতে গিয়ে অনেক সময় থানায় গিয়ে ভুক্তভোগীরা হয়রানির শিকার হন, দুর্ব্যবহারের শিকার হন, এমনকি টাকা-পয়সার বিষয়ও চলে আসে। এসব অভিযোগ যদি বন্ধ করা যায় তাহলে মানুষ থানায় গিয়ে সেবার নিতে কুণ্ঠাবোধ করবে না।

তিনি আরও বলেন, জনবান্ধব পুলিশ করার জন্য আরও অনেক উদ্যোগ নিতে হবে। পুলিশকে ঢেলে সাজাতে হবে। ডিএমপি’কে পুরোনো আমলের পুলিশ আইনের কারণে আলাদা করা সম্ভব হচ্ছে না। এখনও পুলিশিং ব্যবস্থা ঔপনিবেশিক সময়ের। সব আইন ব্রিটিশের করা। পুলিশ করা হয়েছিল ব্রিটিশ সরকারের লাঠিয়াল বাহিনী হিসেবে ব্যবহার করার জন্য। স্বাধীন দেশে হবে ডেমোক্রেটিক পুলিশিং ব্যবস্থা কিন্তু সেই বিষয়টি এখনও নিশ্চিত করা যায়নি। সেটা নিশ্চিত করা না গেলে জনবান্ধব পুলিশ কিংবা পুলিশি সেবা যাই বলি তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না। রাজনৈতিক ব্যবহারের বিষয়ে পুলিশকে আমরা দোষারোপ করতে পারি না—এটা আরেকটি বড় জায়গা। গত ৪৮ বছরে যারা ক্ষমতায় ছিলেন তারা পুলিশকে ব্যবহার করেছেন রাজনৈতিকভাবে। সেই জায়গাটি বন্ধ করা না গেলে প্রফেশনাল পুলিশ কিংবা পেশাদার পুলিশ আমরা ততটা দেখতে পাবো না।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজনে যা থাকছে

ডিএমপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে ১১ ফেব্রুয়ারি র‍্যালি, আলোচনা অনুষ্ঠান এবং নাগরিক সংবর্ধনার আয়োজন করেছে ডিএমপি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব আমিনুল ইসলাম খান, পুলিশ মহাপরিদর্শক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন।

বিকাল তিনটায় প্রতিষ্ঠা দিবসের শুভ উদ্বোধন ও র‍্যালি ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্স থেকে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে গিয়ে শেষ হবে। রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স অডিটোরিয়াম প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে কেক কাটা হবে। আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বিশেষ অতিথি ও কমিশনার বক্তব্য দেবেন।

/এমএস/এমওএফ/
সম্পর্কিত
ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ঢাকায় একদিনে ১৬৮৭ মামলা
হিজড়া নেত্রীর ঘরে ৩ ঘণ্টা অবস্থান করা সেই যুবককে খুঁজছে পুলিশ
মেস থেকে র‍্যাব পরিচয়ে জবি ছাত্রীকে ‘তুলে নেওয়ার’ চেষ্টা
সর্বশেষ খবর
‘বিগ বসের’ নতুন সিজনে কত পারিশ্রমিক নিচ্ছেন সালমান খান, প্রতিযোগী কারা
‘বিগ বসের’ নতুন সিজনে কত পারিশ্রমিক নিচ্ছেন সালমান খান, প্রতিযোগী কারা
সংসারের ‘মানসিক চাপ’ কেন পুরুষদের তুলনায় নারীদের বেশি সামলাতে হচ্ছে?
সংসারের ‘মানসিক চাপ’ কেন পুরুষদের তুলনায় নারীদের বেশি সামলাতে হচ্ছে?
শাহজালালে আকস্মিক পরিদর্শনে বিমানমন্ত্রী, ব্যাগেজ হ্যান্ডলিংয়ে সময় কমানোর নির্দেশ
শাহজালালে আকস্মিক পরিদর্শনে বিমানমন্ত্রী, ব্যাগেজ হ্যান্ডলিংয়ে সময় কমানোর নির্দেশ
দুর্নীতি ঠেকাতে প্রতিটি মন্ত্রণালয়ে ‘পরিবীক্ষণ সেল’ গঠনের দাবি
দুর্নীতি ঠেকাতে প্রতিটি মন্ত্রণালয়ে ‘পরিবীক্ষণ সেল’ গঠনের দাবি
সর্বাধিক পঠিত
সিডনিতে শাবনূরের বাসায় অতিথি তাসকিন, জমলো বারবিকিউ আড্ডা
সিডনিতে শাবনূরের বাসায় অতিথি তাসকিন, জমলো বারবিকিউ আড্ডা
আমার দুঃখ হয় শহীদ জিয়াউর রহমানের সন্তানের জন্য: মামুনুল হক
আমার দুঃখ হয় শহীদ জিয়াউর রহমানের সন্তানের জন্য: মামুনুল হক
কমলো স্বর্ণের দাম, ভরি কত
কমলো স্বর্ণের দাম, ভরি কত
লংমার্চের গাড়িবহরকে লালকার্ড দেখালেন তিনি
লংমার্চের গাড়িবহরকে লালকার্ড দেখালেন তিনি
থাইল্যান্ডে মিললো রহস্যময় ‘শয়তান ফুল’
থাইল্যান্ডে মিললো রহস্যময় ‘শয়তান ফুল’