ভোটের সময় মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট সেবায় ‘বিঘ্ন’ বা ‘ধীরগতি’ করার মতো ঘটনা জনমনে সন্দেহ জাগায় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। সে ক্ষেত্রে এটা ‘অপকৌশল হিসেবে ব্যবহার’ করা হয় কিনা তা সরকারকে অনুধাবন করা উচিত বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সোমবার (১৩ মার্চ) নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের খসড়া সমন্বিত নীতিমালা প্রণয়ন নিয়ে মত বিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি।
এদিন নির্বাচনের আগে ও ভোটের দিন মোবাইল নেটওয়ার্ক, ইন্টারনেট সেবায় নানা ধরনের ঝামেলার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন সাংবাদিকরা। ইন্টারনেটের ধীরগতি ও মোবাইল নেটওয়ার্ক জটিলতায় কখনও কখনও তাৎক্ষণিক তথ্য পেতে বিলম্ব ও যোগাযোগ বিড়ম্বনার বিষয়ে সিইসি বলেন, ‘এ ধরনের কর্মকাণ্ড নিয়ে জনমনে যে সন্দেহের সৃষ্টি না হয় সে বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে।’
গত নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে সিইসি বলেন, ‘গত নির্বাচন যেভাবে বিতর্কিত হয়েছে, হয়তো পুরোটা সত্য নয়; স্বচ্ছতার বিষয়ে জোর দিতে হবে।’
ভোটের সময় নেটওয়ার্ক জটিলতা ‘কারা করেন’ সে বিষয়ে অবগত নন বলে জানান সিইসি। তিনি বলেন, ‘নেটওয়ার্ক স্লো; এটাকে অপকৌশল হিসেবে ব্যবহার করে কিনা এটা সরকারের অনুধাবন করা উচিত।...সরকারের কাছে এ দাবি যে কেউ জানাতে পারে। নির্বাচনে এ জিনিসগুলো না করাই বোধহয় ভালো হবে। এমনটা করা হলে সন্দেহের উদ্রেক হবে।’
মতবিনিময়ে নির্বাচন কমিশনার আহসান হাবিব খান, রাশেদা সুলতানা, মো. আলমগীর, মো. আনিছুর রহমান, ইসি সচিব জাহাংগীর আলম ও সাংবাদিকরা অংশ নেন।









