কক্সবাজারে একটি ট্রলার থেকে ১০ জনের অর্ধগলিত অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার ঘটনায় তাদের পরিচয় শনাক্ত করার জন্য ডিএনএ এবং ঘটনার রহস্য উদঘাটনের জন্য আলামত সংগ্রহ করছে সিআইডির ডিএনএ এবং ক্রাইম সিন টিম।
সোমবার (২৪ এপ্রিল) বিকালে সিআইডি সদর দফতর থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে রবিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে বঙ্গোপসাগর থেকে কক্সবাজারের নাজিরারটেক পয়েন্ট টেনে আনা একটি ট্রলার থেকে ১০ জনের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস। উদ্ধার করা ১০ মরদেহ এখনও পুরোপুরি শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ।
ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহগুলো কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। হাসপাতালের মর্গের সামনে স্বজনরা মরদেহগুলো শনাক্তের দাবি করলেও পুলিশ বলছে, তারা পুরোপুরি নিশ্চিত নয়। নিশ্চিত হওয়ার পরেই মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ভাসমান ট্রলার থেকে উদ্ধার করা মরদেহগুলো এখনও হাসপাতাল মর্গে রয়েছে। এখনও ময়নাতদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের পর ডিএনএ পরীক্ষা থেকে শুরু করে বেশ কিছু আইনি প্রক্রিয়া রয়েছে। এরপরই স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। এর আগে নয়।’
স্থানীয় জেলেরা জানান, সাগরের কুতুবদিয়া চ্যানেলে ট্রলারটির কিছু অংশ ডুবে ছিল। পরে অপর একটি ট্রলার বিশেষ ব্যবস্থায় ট্রলারটিকে টেনে শনিবার সন্ধ্যায় নাজিরারটেকে নিয়ে আসেন। ভাটার পর রবিবার সকালে ট্রলারটির ভেতরে মানুষের হাত-পা দেখা যায়। তখনই পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
এরপর ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের সহযোগিতায় ট্রলার থেকে ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহগুলো অর্ধগলিত হওয়ায় কাউকে ভালোভাবে চেনা যাচ্ছে না। তবে অনেকের হাত-পা রশি দিয়ে বাঁধা ছিল।









