জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, শিশুরা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম। শিশুদের জন্য তাদের উপযোগী করে মানবাধিকারের বিষয়গুলো পাঠ্যপুস্তকে আরও বিস্তারিতভাবে অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন। এতে তাদের মধ্যে মানবিক গুণাবলি তৈরি হবে।
সোমবার (২৯ মে) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে জার্মান সংস্থা নেটজ আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।
কামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘পাঠ্যপুস্তকে মানবাধিকার বিষয়টি আরও বিস্তারিতভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হলে সমাজে ধীরে ধীরে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী যেমন- হিজড়া, প্রতিবন্ধীসহ অন্যান্যদের সম্পর্কে অনেক বেশি জানাতে হবে। বলতে হবে আমরা সবাই মানুষ। সবার সমান অধিকার আছে।’
তিনি বলেন, ‘বর্তমান বিশ্বে ইনফরমেশন সুপার হাইওয়েতে সব কিছু উন্মুক্ত। জ্ঞানের বিস্তৃতির কোনও সীমা নেই। আমাদের শিশুদের বোঝাতে হবে এই ইনফরমেশন সুপার হাইওয়েতে কোনটি ভালো আর কোনটি খারাপ। এতে সে খারাপ কিছু গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকবে। তাদের মুক্তিযুদ্ধ, সংবিধান সম্পর্কে জানাতে হবে।’
সেমিনারে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির পাঠ্যপুস্তকে মানবাধিকার সচেতনতার বিষয়টি কীভাবে আছে তা নিয়ে গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন সোহরাব উদ্দিন মণ্ডল এবং আফসানা বিনতে আমিন। প্যানেল আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক এ এন রাশেদা, অধ্যাপক ড সন্তোষ কুমার ঢালী, শিল্পী রানী সাহা, তপন কুমার দাস।









