২০১৩ সালে বিএনপির হরতাল অবরোধ চলাকালে রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমির সামনে গাড়ি ভাঙচুর ও সিএনজিতে অগ্নি সংযোগের অভিযোগে করা মামলায় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আব্দুল কাদের ভুইয়া জুয়েল ও সাবেক সেক্রেটারি হাবিবুর রশিদ হাবীবসহ বিএনপির ২০ নেতাকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (১৭ আগস্ট) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের খালাস প্রদান করেন। অপর দিকে আবুল কালাম আজাদ নামে বিএনপির এক কর্মীর দণ্ডবিধির দুই ধারায় চার বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত। তবে দুই ধারার সাজা একসঙ্গে চলবে বলে বিচারক রায়ে উল্লেখ করেন। অর্থাৎ তাকে দুই বছরের কারাভোগ করতে হবে।
আসামি পক্ষের আইনজীবী মহি উদ্দিন চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৩ সালের ১২ মার্চ বিএনপি সকাল সন্ধ্যা হরতালের সমর্থনে সেগুনবাগিচার শিল্পকলা একাডেমির সামনে মিছিল বের করে। সে সময় ছাত্রদলের (সভাপতি আব্দুল কাদের ভুইয়া জুয়েলসহ) ২১ জনসহ ৪০/৫০ জন বিএনপির নেতাকর্মী বেআইনিভাবে দলবদ্ধ হয়ে ইট-পাটকেল, লাঠিসোঁটা, রড, হকিস্টিক নিয়ে রাস্তায় চলাচলরত যানবাহনে ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। আসামিদের নিক্ষিপ্ত ইট ও বিস্ফোরিত স্প্রিন্টারের আঘাতে এসআই আশফাক রাজীব হাসান, কনস্টেবল আব্দুর রাজ্জাক, আনছার, জাকির হোসেন ও খালেক গুরুতর আহত হন। আহতদের চিকিৎসার জন্য রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে আগুনে পোড়া সিএনজি, পাঁচটি বাঁশের লাঠি, ১৫টি ইটের টুকরো ও দশটি গাড়ির গ্লাস জব্দ করা হয়। এ ঘটনার পরের দিন রমনা থানার এসআই হানিফ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। ২০১৫ সালের ৮ জুন আব্দুল কাদের ভুইয়া জুয়েলসহ ২১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন পুলিশ। মামলা চলাকালে ১২ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন।









