জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যানের বক্তব্য দুঃখজনক: আসক

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
০২ জানুয়ারি ২০২৪, ১৯:৫১আপডেট : ০২ জানুয়ারি ২০২৪, ১৯:৫১

আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) মানবাধিকার প্রতিবেদন নিয়ে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যানের বক্তব্য ‘দুঃখজনক’ ও ‘অপ্রত্যাশিত’ বলে মন্তব্য করেছে সংস্থাটি। মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ মন্তব্য করে তারা।

আসকের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রতি বছরের মতো এবারও আইন ও সালিশ কেন্দ্র সারা বছরের মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে একটি প্রতিবেদন তৈরি করেছে। ৩১ ডিসেম্বর সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে আসকের কাছে দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি বর্তমানে কী পর্যায়ে আছে সে বিষয়ে সাংবাদিকরা মতামত জানতে চাইলে আসকের পক্ষ থেকে সংগঠনটির চেয়ারপারসন ও সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট জেড আই খান পান্না বলেছেন, বর্তমানে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি অস্বস্তিকর।

আইন ও সালিশ কেন্দ্রের প্রতিবেদন ও মন্তব্য প্রসঙ্গে একটি বেসরকারি টেলিভিশন থেকে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. কামাল উদ্দিন আহমেদের কাছে মতামত জানতে চাওয়া হয়। তখন তিনি বলেন, দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি কোনোভাবেই অস্বস্তিকর পর্যায়ে নেই। বরং এক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নতি হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেছেন। তিনি আরও বলেছেন, ‘কাউকে কালিমালিপ্ত করার জন্য ঢালাও কথা বলে দিলে তো হলো না। একেবারে শেষ হয়ে গেছে, অস্বস্তিকর আছে– এসব কথা ভিত্তিহীন।’

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কমিশনের চেয়ারম্যানের বক্তব্যে আইন ও সালিশ কেন্দ্র যারপরনাই বিস্মিত। আসকের প্রতিবেদন মূলত ১০টি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ এবং নিজস্ব তথ্যানুসন্ধানের ভিত্তিতে সংগৃহীত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে প্রস্তুত করা হয়েছে। মানবাধিকার সুরক্ষার লক্ষ্যে নাগরিক সংগঠন ও মানবাধিকারকর্মীদের দীর্ঘ আন্দোলনের পর প্রতিষ্ঠিত একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসেবে তার কাছ থেকে এমন বক্তব্য অপ্রত্যাশিত ও অত্যন্ত দুঃখজনক।

এতে আরও বলা হয়, বিদ্যমান মানবাধিকার পরিস্থিতি বিষয়ে ইতোমধ্যে দেশের অভ্যন্তরে সংশ্লিষ্টরা, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন কিংবা জাতিসংঘের বিভিন্ন মানবাধিকার ব্যবস্থা সময়ে সময়ে তাদের উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার বিষয়টি জানিয়েছে। মত প্রকাশ ও নাগরিক অধিকার চর্চার ক্ষেত্র দিন দিন যে আরও বেশি সংকুচিত হয়ে পড়েছে, সে বিষয়টি দেশি বিদেশি বিভিন্ন প্রতিবেদনে সুস্পষ্টভাবে এবং বারবার উঠে এসেছে। এমন পরিস্থিতিতে কমিশনের চেয়ারম্যান, যিনি মূলত সরকার এবং নাগরিক সংগঠন ও মানবাধিকারকর্মীদের সংযোগস্থল হিসেবে ও মানবাধিকারকর্মীদের আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করবেন বলেই প্রত্যাশিত এবং সুনির্দিষ্ট আইনের মাধ্যমে দায়িত্বপ্রাপ্ত, তার এমন বক্তব্য নিঃসন্দেহে আমাদের শঙ্কিত করে তোলে এবং চূড়ান্তভাবে হতাশ করে।

/জেইউ/এফএস/
সম্পর্কিত
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সিনেমা প্রদর্শন-নেত্রকোনায় বাউল গান বন্ধের ঘটনায় আসকের নিন্দা
আসকের নতুন সেক্রেটারি জেনারেল নাজিয়া কবির
শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় আসকের উদ্বেগ
সর্বশেষ খবর
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম