বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের শাসনামলে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য ও মুক্তিযোদ্ধাদের ‘হত্যা ও গুমের’ বিচারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। তারা বলেন, ৭৭ সালে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের তড়িঘড়ি করে ফাঁসি দেওয়ার ঘটনা দীর্ঘদিন অজানা ছিল। অনেক পরিবারই তাদের প্রিয়জন, মুক্তিযোদ্ধা সেনাসদস্যদের কবরের সন্ধানও পায়নি।
বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের অডিটোরিয়ামের সামনে ‘১৯৭৭ সালের ২ অক্টোবর খুনি জিয়ার গুম ষড়যন্ত্রে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারবর্গ’ নিয়ে মায়ের কান্না সংগঠনের আয়োজিত এক মানবন্ধন থেকে তারা এ দাবি জানান।
এসময় বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচির সময় বাসে অগ্নিসংযোগের পেছনে জড়িত ও নির্দেশদাতাদের বিচারের দাবিও জানান তারা।
মানববন্ধনে সভাপতির বক্তব্যে নিহত মুক্তিযোদ্ধা সেনাসদস্য সাইদুর রহমানের ছেলে কামরুজ্জামান মিয়া লেনিন বলেন, আত্নপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে প্রহসনের বিচারের নামে মুক্তিযোদ্ধা সামরিক সদস্যদের হত্যাকারী জিয়াউর রহমানের বিচার করতে হবে। তার প্রতিষ্ঠিত দল বিএনপি স্বাধীনতাবিরোধী শক্তিকে সঙ্গে নিয়ে রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে বাসে অগ্নিসংযোগ করেছে। তাদের দেওয়া নৃশংস আগুনে পুড়ে মরেছে সাধারণ মানুষ। এসব ঘটনার মূল কুচক্রীদের বিচার করতে হবে।
১৯৭৭ সালে সামরিক আদালতের বিচারে কারাদণ্ড ভোগকারী বিমানবাহিনীর সদস্য নুরুল ইসলাম বলেন, ১৯৭৭ সালে জিয়াউর রহমান যে ঘটনা ঘটিয়েছিল, পুরো পৃথিবীর কোথাও এরকম কোনও ঘটনার নজির নেই। আমরা এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার চাই।
মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন সামরিক আদালতের বিচারে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বিমান বাহিনীর সার্জেন্টের সন্তান মামুনুর রহমান, বিমান বাহিনীর নিহত সদস্য আনোয়ারুল ইসলাম পারভেজের সহধর্মীনি রুমা আক্তার প্রমুখ। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ‘মায়ের কান্নার’ উপদেষ্টা প্রশান্ত ভূষণ বড়ুয়া ও সমন্বয়ক রাশেদুল ইসলাম।









