ঢাকা আহছানিয়া মিশনের প্রতিবেদন

৬০ শতাংশ গাড়িচালক বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
০৬ মে ২০২৪, ২০:২২আপডেট : ০৬ মে ২০২৪, ২০:২৬

যানবাহন চালকদের প্রায় ৬০ শতাংশই বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন। সোমবার (৬ মে) প্রকাশিত ঢাকা আহছানিয়া মিশনের বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ক্যাম্পেইনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস-২০২৩ এবং ওয়ার্ল্ড ডে অব রিমেম্বারেন্স ফর রোড ট্রাফিক ভিক্টিমস-২০২৩ উদযাপন উপলক্ষে গত বছরের ১১ অক্টোবর থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত এ স্বাস্থ্য ও চক্ষু পরীক্ষা কার্যক্রমটি পরিচালিত হয়। আজ তার ফল প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আহ্ছানিয়া মিশন জানিয়েছে, স্বাস্থ্য পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৮২৪ জন চালকের মধ্যে মোট ৫৪১ জন চোখ পরীক্ষায় অংশ নেন। এতে দেখা গেছে, প্রায় ৬৬ শতাংশ চালক চোখের বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছেন। ৫৪১ জনের মধ্যে প্রায় ৭৩ শতাংশের দৃষ্টিশক্তিজনিত সমস্যা পাওয়া গেছে, যাদের চশমা ব্যবহার প্রয়োজন। এছাড়া ৪ শতাংশ চালকের ছানি সমস্যা এবং ২৩ শতাংশের চোখের অন্যান্য সমস্যা পাওয়া গেছে। ৩১ থেকে ৪০ বছর বয়স পর্যন্ত ২৬ শতাংশ এবং ৪১ থেকে ৫০ বছর বয়স পর্যন্ত ২৩ শতাংশ চালকের চোখের সমস্যা পাওয়া গেছে।

অন্যদিকে, ৮২৪ জন চালকের মধ্যে ৪০০ জনের রক্তে শর্করা সীমার ওপরে, যা শতকরা ৪৯ শতাংশ। ২৫৮ জন উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন, যা শতকরা ৩১ শতাংশ এবং ১৩৭ জন রক্তে উচ্চ শর্করা এবং উচ্চ রক্তচাপ উভয় সমস্যায় ভুগছেন, যা শতকরা ১৭ শতাংশ। এছাড়া ৬০ শতাংশের বেশি চালক গাড়ি চালানোর জন্য শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ সুস্থ নন বলেও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ক্যাম্পেইনে সাধারণ স্বাস্থ্য পরীক্ষায় রক্তচাপের মাত্রা, রক্তে শর্করার মাত্রা, উচ্চতা অনুযায়ী ওজন এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরামর্শ অন্তর্ভুক্ত ছিল। একইভাবে অন্তর্ভুক্ত ছিল চোখের পরীক্ষায় দৃষ্টিশক্তির কাছাকাছি এবং দূরবর্তী সীমা, চালকদের ছানি পরীক্ষা এবং সে অনুযায়ী পরামর্শ। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এবং ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের যৌথ উদ্যোগে রাজধানীর নিকুঞ্জ এবং উত্তরা বিআরটিএ প্রশিক্ষণকেন্দ্র, গাবতলী বাস টার্মিনাল, মহাখালী বাস টার্মিনাল, সায়দাবাদ বাস টার্মিনাল, তেজগাঁও ট্রাক টার্মিনাল এবং কুমিল্লা জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমির প্রশিক্ষণকেন্দ্রে এ স্বাস্থ্য ক্যাম্প পরিচালিত হয়।

আহ্ছানিয়া মিশন জানায়, ‘বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮’ তে মোটরযানকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। যেখানে সড়ক ব্যবহারকারীর নিরাপত্তার বিষয়টি নেই বললেই চলে। সড়ক ব্যবহারকারীদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিশেষ করে মোটরযান পরিচালনায় নিযুক্ত তথা গাড়ি চালকদের শারীরিক সুস্থতা, নিরাপদ সড়ক সংক্রান্ত প্রশিক্ষণসহ জাতিসংঘে সেফ সিস্টেম অ্যাপ্রোচের আলোকে একটি ‘সড়ক নিরাপত্তা আইন’ প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন জরুরি।

/এবি/আরকে/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
মূল্যস্ফীতির আগুনে পুড়ছে মানুষ, বাড়ছে বিদ্যুতের দাম এরপর কী
মূল্যস্ফীতির আগুনে পুড়ছে মানুষ, বাড়ছে বিদ্যুতের দাম এরপর কী
থানায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে নির্যাতনের অভিযোগ, ৩ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার
থানায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে নির্যাতনের অভিযোগ, ৩ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার
কট্টরপন্থি ইহুদিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ নেতানিয়াহুর
কট্টরপন্থি ইহুদিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ নেতানিয়াহুর
সংকোচে বিহ্বল নয়, আত্মবিশ্বাসে দৃপ্ত হোক নারী-কিশোরী 
সংকোচে বিহ্বল নয়, আত্মবিশ্বাসে দৃপ্ত হোক নারী-কিশোরী 
সর্বাধিক পঠিত
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম