ধানমন্ডি ৩২ ঘিরে বিশেষ বিশেষ দিনগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আগেও ছিল। ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসে ভিআইপিদের শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় বা অন্যান্য সময় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা বঙ্গবন্ধু ভবনে শ্রদ্ধা জানাতে এলে আগে থেকেই নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হতো। তবে এবার দৃশ্যপট একেবারেই ভিন্ন। ৩২ নম্বরের ওই ভবন শুধু নয়, আশপাশের পুরো এলাকা ঘিরে থমথমে অবস্থা।
শুক্রাবাদ মোড় থেকে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর, মেট্রো শপিংমলের সামনের রাস্তা এবং আশপাশের এলাকার গলিতেও অবস্থান করছেন আন্দোলনকারীরা। ৩২ নম্বর সড়কে বঙ্গবন্ধুর বাড়ির পূর্ব ও পশ্চিম পাশে কাঁটা তারের বেড়া দিয়ে মানুষের চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এই ব্যারিকেড ভেদ করে ভেতরে যাওয়ার সুযোগ নেই।
এর বাইরেও আশপাশের রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী কাউকে সন্দেহ হলেই তাদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন শিক্ষার্থীরা। আইডি কার্ড, মোবাইল ফোনও চেক করা হচ্ছে। অনেককে মারধর করতেও দেখা গেছে।
পথচারীদের মধ্য থেকে কয়েকজনকে আটক করে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বিপরীতে নিউ মডেল ডিগ্রি কলেজের ভেতরে রাখা হয়। পরে সেনাবাহিনী ও বিজিবি তাদের উদ্ধার করে।
জিজ্ঞাসাবাদের তালিকা থেকে বাদ নেই প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল, রিকশাযাত্রীরা কেউই।
এলাকা ঘুরে দেখা যায়, যে বা যারাই বঙ্গবন্ধুর বাড়ির দিকে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন, তাদের মারধর করছে লাঠি হাতে অবস্থান নেওয়া এক দল তরুণ। পরে আবার রিকশা করে তাদের তুলেও দিচ্ছে।
এছাড়াও বাস বা ব্যক্তিগত গাড়ি থেকে কেউ ছবি তোলার বা ভিডিও করার চেষ্টা করলেই সঙ্গে সঙ্গে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে এই তরুণরা।
ধানমন্ডি ৩২ নম্বর সড়কে বঙ্গবন্ধুর বাড়ির ঠিক সামনে সেনাবাহিনী ও বিজিবি ছাড়া আর কাউকেই দেখা যায়নি আজ সারা দিন।









