দেশব্যাপী গণঅভ্যুত্থানে যেসব ছাত্র-জনতা হতাহতের শিকার হয়েছে হাসপাতালে তাদের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়নি। এটাকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রথম ব্যর্থতা বলে মন্তব্য করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ।
শুক্রবার (১৬ আগস্ট) বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পূর্ব ঘোষিত সাত দিনব্যাপী ‘রেজিস্ট্যান্স উইক’ কর্মসূচির চতুর্থ দিন ‘স্ট্যান্ড উইথ দ্য ইনজুরড’ কর্মসূচিতে রাজধানীর কয়েকটি মেডিক্যাল পরিদর্শন শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
হাসনাত বলেন, ‘সারা দেশে আন্দোলনকারীদের ওপর যেভাবে অত্যাচার করা হয়েছে, যেভাবে গুলি করা হয়েছে, মধ্যযুগেও এমন বর্বরতা ছিল না। আমাদের ভাইয়েরা মেডিক্যালে ভালো নেই। আমরা সমন্বয়করা মিলে কয়েকটি টিমে ভাগ করে রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্তে যেখানে যেখানে আন্দোলন হয়েছে, তার আশপাশের মেডিক্যালগুলো পরিদর্শন করেছি। মেডিক্যালে তারা খুব দুর্বিষহ জীবন পার করছে।’
আন্দোলন-পরবর্তী সময়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান কাজ ছিল আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের তথ্য সংগ্রহ করা ও আহতদের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করা বলে উল্লেখ করে এই সমন্বয়ক বলেন, ‘আজ আমরা মেডিক্যালে যা দেখলাম, সে ক্ষেত্রে বলতে হচ্ছে, আহত ভাইদের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা না করা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রথম ব্যর্থতা। তাদের জবাবদিহির সময় এসেছে।’
এ সময় তিনি সরকারকে ২৪ ঘণ্টা সময় দিয়ে বলেন, ‘এই সময়ের মধ্যে সরকারের কাছ থেকে আমরা একটি দৃশ্যমান পদক্ষেপ প্রত্যাশা করছি।’ তবে এটি আলটিমেটাম নয় বলে জানান তিনি।
এ ছাড়া গতকাল বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) ধানমন্ডিতে শোক দিবস পালন করতে আসা কয়েকজনকে মারধরের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সমন্বয়ক পরিচিয়ে কেউ যদি কোনও ধরনের অপকর্ম করে, তবে তাদের লিস্ট করে দেশের চলমান বিচারব্যবস্থা অনুযায়ী শাস্তির আওতায় আনা হবে। আমাদের নতুন করে কোনও সমন্বয়ক কমিটি হয়নি।’









