এক মাসেরও বেশি সময় পর আজ রবিবার (১৮ আগস্ট) সারা দেশের বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুরোদমে খুলেছে। অন্যদিকে দুপুরে রাজধানীর নীলক্ষেত, সায়েন্সল্যাব, মহাখালীর ও শাহবাগ এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন শিক্ষার্থীসহ পেশাজীবী লোকজন।
এতে এসব এলাকায় যানজট সৃষ্টি হয়েছে। ভোগান্তি বেড়ে হয়েছে দ্বিগুণ। দীর্ঘক্ষণ গণপরিবহন আটকে থাকার কারণে অনেককেই হেঁটে গন্তব্যে রওনা দিতে দেখা গেছে।
সরেজমিনে সকাল ১০টার পর ধানমন্ডি ২৭, আসাদগেট, খামার বাড়ি, ফার্মগেট ও বিজয় সরণি এলাকায় যানজটের এসব চিত্র দেখা গেছে।
আজ দুপুরে সায়েন্সল্যাব ও নীলক্ষেত মোড়ে চার দফা দাবি নিয়ে সড়কে নামে শিক্ষার্থীরা। তারা এইচএসসির বাকি পরীক্ষাগুলো বাতিলের দাবিতে সড়কে অবস্থান নেয়। এ সময় আশপাশে সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
এ ছাড়া দুপুর পৌনে ২টার দিকে স্বাস্থ্য অধিদফতরের বিভিন্ন পদে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ চাকরি প্রার্থীরা অনশন ও বিক্ষোভ শুরু করেন। এ সময় গুলশান থেকে মহাখালী যাওয়ার সড়কটি বন্ধ হয়ে যায়।
জানতে চাইলে কলাবাগানে যানজটে আটকে থাকা আজিমপুরগামী বিকাশ পরিহনের এক যাত্রী মহিবুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের সাধারণ মানুষের শান্তি নেই। রাস্তায় লোকজন নামলে গাড়ি বন্ধ হয়ে যায়। অসুস্থ মানুষ হাঁটতেও পারছি না। উপায় না পেয়ে বসে আছি।’
আরেক যাত্রী বিল্লাল মিয়া বলেন, ‘এখন অফিস পুরোদমে চলছে। সকাল ঘর থেকে বের হয়ে জ্যামে আটকে যাচ্ছি। এর মধ্যে যদি রাস্তায় কোনও আন্দোলন-বিক্ষোভ থাকে, তাহলে তো আর কথাই নেই। রাস্তায় সময় কাটে। অসুবিধা নেই, আমরা অভ্যস্ত হয়ে গেছি।’
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশার (ট্রাফিক, ধানমন্ডি জোন) নবকুমার বিশ্বাস বলেন, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুরোদমে খুলে দেওয়ায় আজ সকাল থেকে সড়কে যানবাহনের চাপ রয়েছে। এ ছাড়া শাহবাগ, সায়েন্সল্যাব ও আরও কিছু পয়েন্টে বিক্ষোভকারীরা নামার কারণে সড়কে ভোগান্তি বেড়েছে। আশা করছি দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে যাবে। আমরা এ নিয়ে কাজ করছি।’









