এক যুগেরও বেশি সময় ধরে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাদের চাকরি সংক্রান্ত ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে দাবি করেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন।
মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ কথা জানান অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কাজী আরফান আশিক এবং মহাসচিব এম রবিউল ইসলাম।
বিবৃতিতে বলা হয়, এক যুগেরও বেশি সময় ধরে পৃথক বেতন কাঠামো, পেনশন, প্রভিডেন্ট ফান্ড, আবাসন ব্যবস্থা, ঋণ সুবিধা ইত্যাদি পূরণে দাবি জানিয়ে আসছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন। এক কমিশনের মেয়াদ শেষে প্রতি তিন বছর পরপর নতুন কমিশন দায়িত্ব গ্রহণ করে এবং দাবি পূরণের আশ্বাস দেয়। কিন্তু দাবি পূরণের জন্য কিছু আনুষ্ঠানিকতা ছাড়া কার্যকর কিছুই করা হয় না। বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় আমাদের বিষয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলেও কার্যকর কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। যার কারণে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে সর্বদা মানসিক হতাশা এবং ভবিষ্যত অনিশ্চয়তা বিরাজ করে।
জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন বিশ্বাস করে যে, বৈষম্যহীনতার নীতিতে রাষ্ট্র সংস্কারে অঙ্গীকারাবদ্ধ অন্তর্বর্তী সরকার কমিশনে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের ন্যায্য দাবি যেমন- পৃথক বেতন কাঠামো, পেনশন, প্রভিডেন্ট ফান্ড, আবাসন ব্যবস্থা, যাতায়াত ব্যবস্থা, সরকারি ঋণ সুবিধা, কমিশনের নিজস্ব ভবন ইত্যাদি দ্রুত বাস্তবায়ন করবে এবং কমিশনকে শক্তিশালীকরণের লক্ষ্যে জাতিসংঘ প্রণীত প্যারিস নীতিমালার আলোকে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন ২০০৯ এর প্রয়োজনীয় সংশোধন করবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, মানুষের অধিকার রক্ষায় যারা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে কিন্তু তারা বছরের পর বছর ধরে অধিকার বঞ্চিত হয়ে আসছে। দীর্ঘদিন ধরে বৈষম্যের শিকার কমিশনে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মানবাধিকার নিশ্চিত করার মধ্য দিয়ে কমিশনে কর্মরতরা দেশের সব মানুষের মানবাধিকার রক্ষায় আরও বেশি অবদান রাখতে পারবে বলে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।









