বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজের (বিলস) নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ‘জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আহতদের রানা প্লাজার মতো আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসারে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। ক্ষতিপূরণের মানদণ্ড তৈরি হলে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হবে না।’
বুধবার (৯ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট) ও উইম্যান উইথ ডিজঅ্যাবিলিটিজ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (ডব্লিউডিডিএফ) আয়োজিত ‘প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন ২০১৩: বাস্তবায়ন ও বর্তমান প্রেক্ষাপটে করণীয়' শীর্ষক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আহতদের যথাযথ চিকিৎসার জন্য সবাই সোচ্চার হতে হবে। আন্দোলনে আহতদের প্রতিবন্ধিতার হাত থেকে রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। এখানে কোনও রাখডাক রাখলে চলবে না। সরকারের প্রতি সবার অনেক প্রত্যাশা। অনেক আবেগ, অনেক আকাঙ্ক্ষা। কিন্তু যারা এই আবেগের জন্য আহত হয়েছে, তাদের প্রতিবন্ধিতার হাত থেকে রক্ষার জন্য সোচ্চার হওয়া সরকারবিরোধী কিছু না। রানা প্লাজার মতো আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসারে হতাহতদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।’
আন্দোলনে আহতদের সমান সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার দাবি জানিয়ে সাংবাদিক সায়দিয়া গুলরুখ বলেন, ‘আমাদের মনযোগের একটা শ্রেণি চরিত্র আছে। আমরা যে সুযোগ-সুবিধা বিতরণ করছি, সেখানেও শ্রেণি চরিত্র আছে। ছাত্র-জনতার আন্দোলনে সব আহতদের সমান সুযোগ-সুবিধা দিতে হবে। তাদের দায়িত্ব সরকারকে নিতে হবে। স্বাস্থ্য উপদেষ্টা বুঝতে পারছেন না, এখানে আশ্বাস দেওয়ার সুযোগ নেই। আশ্বাসের সময় পার হয়ে গেছে।’
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. তাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় এতে আরও বক্তব্য রাখেন ব্লাস্টের উপদেষ্টা আহমাদ ইব্রাহিম, আইনজীবী অ্যাডভোকেট খন্দকার শাহরিয়ার শাকির, উইমেন উইথ ডিজঅ্যাবিলিটিস ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক আশরাফুন্নাহার মিষ্টি প্রমুখ।









