পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের ৭ দফা দাবি

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
০৩ নভেম্বর ২০২৪, ১৪:১৮আপডেট : ০৩ নভেম্বর ২০২৪, ১৪:২১

পার্বত্য চট্টগ্রামে জারি করা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের ১১ দফা নির্দেশনা বাতিলসহ সাত দফা দাবি জানিয়েছে বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ (পিসিপি)। রবিবার (৩ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি কুনেন্টু চাকমা লিখিত বক্তব্যে বলেন, ‘পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের নেতাকর্মীরা প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে আজ পর্যন্ত শাসকগোষ্ঠী ও রাষ্ট্রীয় বাহিনীর দমন-পীড়ন, নির্যাতন, হত্যার মতো ঘটনার শিকার হয়ে অধিকার আদায়ের লড়াই সংগ্রাম অব্যাহত রেখেছে। দীর্ঘ সংগ্রামের পথে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলায় বহু নেতাকর্মীকে কারাবন্দি হতে হয়েছে।’

সংগঠনের পক্ষ থেকে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে সাত দফা দাবি তুলে ধরেন কুনেন্টু চাকমা। দাবিগুলো হলো–

১. অবিলম্বে খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি কারাগারে আটক ইউপিডিএফ এবং এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মুক্তি দিতে হবে। আদালত থেকে জামিন লাভের পর জেল গেট থেকে পুনরায় গ্রেফতার বন্ধ করতে হবে। হাসিনা সরকারের আমলে ইউপিডিএফ এবং এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের নামে দায়ের করা সব মিথ্যা মামলা ও হুলিয়া প্রত্যাহার করতে হবে।

২. গত ৩০ অক্টোবর খাগড়াছড়ির পানছড়িতে তিন জন ইউপিডিএফকর্মীকে হত্যায় জড়িতদের গ্রেফতার ও বিচার করতে হবে।

৩. পার্বত্য চট্টগ্রামে জারি করা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের ১১ দফা নির্দেশনা বাতিল করতে হবে।

৪. গত ১৯ ও ২০ সেপ্টেম্বর খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটিতে চার জন পাহাড়িকে হত্যার সঙ্গে জড়িত সেনা-সেটলাদের গ্রেফতার ও বিচার করতে হবে। এছাড়াও নিহত ও অগ্নিসংযোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের যথাযথা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

৫. ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে সৃষ্ট ঠ্যাঙাড়ে নব্য মুখোশ বাহিনী ভেঙে দিতে হবে। তাদের মধ্যে যারা খুন, গুম, অপহরণ ওসন্ত্রাসের সঙ্গে জড়িত তাদের গ্রেফতার করে শাস্তি দিতে হবে।

৬। খাগড়াছড়ি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক সোহেল রানা গণপিটুনিতে মারা যাওয়ার ঘটনায় শিক্ষার্থীদের নামে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে।

৭। পার্বত্য চট্টগ্রামে গণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টির জন্য ‘অপারেশন উত্তরণ’ বাতিল করে সেনাশাসন প্রত্যাহার করতে হবে। পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যার রাজনৈতিক সমাধানের লক্ষ্যে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নিতে হবে।

/এএজে/আরকে/
সম্পর্কিত
এসএসসির পর ভর্তি না হওয়ার হার উদ্বেগজনক: শিক্ষামন্ত্রী
বাংলাদেশে বিদেশি হস্তক্ষেপের বিরোধিতা চীন সমর্থন করে: রাষ্ট্রদূত
তিস্তা প্রকল্পে চীনের সহায়তা অব্যাহত থাকবে: রাষ্ট্রদূত
সর্বশেষ খবর
ঢাকা মেডিক্যালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সেলফি উৎসবে শিক্ষার্থীরা
ঢাকা মেডিক্যালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সেলফি উৎসবে শিক্ষার্থীরা
৯০ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্কই ভুগছেন এই সিনড্রোমে, অথচ নামই শোনেননি কেউ
৯০ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্কই ভুগছেন এই সিনড্রোমে, অথচ নামই শোনেননি কেউ
ঢাবির আট বিভাগকে তিনটিতে একীভূত করার ভাবনা কতটা যৌক্তিক?
ঢাবির আট বিভাগকে তিনটিতে একীভূত করার ভাবনা কতটা যৌক্তিক?
হরমুজ প্রণালি ঘিরে ইরান আর যুক্তরাষ্ট্র ফের যুদ্ধের মুখে
হরমুজ প্রণালি ঘিরে ইরান আর যুক্তরাষ্ট্র ফের যুদ্ধের মুখে
সর্বাধিক পঠিত
ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনা শেখ হাসিনার: রয়টার্স
ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনা শেখ হাসিনার: রয়টার্স
এখনও অন্ধকারে জাপান গার্ডেন সিটির ৯ ভবন
এখনও অন্ধকারে জাপান গার্ডেন সিটির ৯ ভবন
সরকারি শিশু পরিবারে কীভাবে অন্তঃসত্ত্বা হলো কিশোরী, বরখাস্ত ৫ কর্মকর্তা
সরকারি শিশু পরিবারে কীভাবে অন্তঃসত্ত্বা হলো কিশোরী, বরখাস্ত ৫ কর্মকর্তা
নেশাগ্রস্ত পিতার আঘাতেই প্রাণ হারায় মেয়ে: আদালতে মা
নেশাগ্রস্ত পিতার আঘাতেই প্রাণ হারায় মেয়ে: আদালতে মা
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল চালায়নি, তাহলে ইরানে হামলা চালালো কোন দেশ
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল চালায়নি, তাহলে ইরানে হামলা চালালো কোন দেশ