সড়ক পরিবহন সেক্টরে শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পাঁচ দফা সুপারিশ করেছে ‘ওয়ার্ক অ্যান্ড হেলথ সেফটি অ্যাসিস্ট্যান্স সেন্টার’। অপরদিকে রাইড শেয়ারিং আইন প্রণয়ন, ন্যায্য ভাড়া কাঠামো প্রণয়নসহ সাত দফা দাবি সম্বলিত সুপারিশ করেছে ‘ঢাকা রাইড শেয়ারিং ড্রাইভার্স ইউনিয়ন।’
সোমবার (৬ জানুয়ারি) শ্রম ভবনে শ্রম সংস্কার কমিশনের কাছে আলাদাভাবে সুপারিশমালা পেশ করে সংগঠন দুটি।
‘ওয়ার্ক অ্যান্ড হেলথ সেফটি অ্যাসিস্ট্যান্স সেন্টার’ এর পাঁচটি সুপারিশ হচ্ছে— কর্মক্ষেত্রে স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নীতিমালা প্রণয়ন, স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা, নিয়মিত প্রশিক্ষণ, বিমা সুবিধা এবং মোবাইল মেডিক্যাল ইউনিট গঠন।
সড়ক পরিবহন ও রাইড শেয়ারিং সেক্টরে ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠায় সাতটি সুপারিশ তুলে ধরে ‘ঢাকা রাইড শেয়ারিং ড্রাইভার্স ইউনিয়ন।’
সংগঠনটির সুপারিশের মধ্যে রয়েছে— রাইড শেয়ারিং আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, ন্যায্য ভাড়া কাঠামো, কমিশন হার সীমাবদ্ধকরণ, প্ল্যাটফর্ম ও বুকিং ফি বাতিল, আইডি বন্ধের ন্যায়সঙ্গত প্রক্রিয়া, চালকদের সুরক্ষা, ক্যান্সেলেশন ও অপেক্ষা ফি।
সংস্কার কমিশনের সঙ্গে সংগঠন দুটির মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন— শ্রম সংস্কার কমিশনের প্রধান সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহম্মদ। সদস্যদের মধ্যে শাকিল আখতার চৌধুরী, ড. মাহফুজুল হক, আনোয়ার হোসেন, রাজেকুজ্জামান রতন, এ এন এম সাইফুদ্দিন, আরিফুল আলমসহ প্রমুখ।
কমিশন প্রধান সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহম্মদ বলেন, মতবিনিময় সভায় আমরা বিভিন্ন সেক্টর থেকে শ্রমিকদের নতুন নতুন কাজ করার দিক খুঁজে পাই। কমিশন আমাদের জন্য সুযোগ করে দিয়েছে শ্রমিকের জন্য কাজ করার।’









