চট্টগ্রাম-৬ রাউজান আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরীকে আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৫ জানুয়ারি) বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দেন।
ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশন পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর বিএম সুলতান মাহমুদ, গাজী মনোয়ার হোসেন তামিম ও আব্দুল্লাহ আল নোমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রসিকিউটর আব্দুস সোবহান তরফদার, তারেক আব্দুল্লাহ ও তানভীর হাসান জোহা।
জানা গেছে, ফজলে করিম চৌধুরী অন্য মামলায় গ্রেফতার আছেন। তাকে গত ১২ সেপ্টেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে গ্রেফতার করা হয়।
এদিকে আজ আরও একজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন ট্রাইব্যুনাল। তবে আসামি পালিয়ে যেতে পারেন— সেই কারণে তার নাম-পরিচয় জানানো হয়নি।
এ বিষয়ে প্রসিকিউটর গাজী মনোয়ার হোসেন তামিম বলেন, সাবেক মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ও অন্যান্যরা এবং সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন ও অন্যান্যরা— এই দুটি মামলার তদন্ত কর্মকর্তারা তদন্তকালে যেকোনও স্থান তল্লাশি ও যেকোনও বস্তু জব্দ করতে পারবেন, এমন পৃথক দুটি আবেদন করা হয়েছিল। সেটি ট্রাইব্যুনাল মঞ্জুর করেছেন। আরেকটি আবেদন করা হয়েছিল— তদন্তকালে তদন্তকারী কর্মকর্তা কোনও বস্তু জব্দ করলে সেটির সত্যতা পরীক্ষা করতে পারেন। সেই আবেদনও ট্রাইব্যুনাল মঞ্জুর করেছেন।
এক প্রশ্নের জবাবে গাজী মনোয়ার হোসেন বলেন, ট্রাইব্যুনালের ১৯৭৩ সালের আইন ২০০৯ সালে সংশোধন করা হয়েছিল। সেই সংশোধনে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল। তিনি যেকোনও জায়গায় যেকোনও কিছু তদন্ত করতে পারবেন। কিন্তু ২০২৪ সালের সংশোধনীতে তল্লাশি ও জব্দের ব্যাপারে আদালতের অনুমতি নেওয়ার একটি শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। যার কারণে প্রতিটি মামলায় তদন্তকারী কর্মকর্তাকে আলাদাভাবে অনুমতি নেওয়া লাগছে।









