বৈরী আবহাওয়ার কারণে এখনও স্বাভাবিক হয়নি দেশের অভ্যন্তরীণ নৌপথের সব ধরনের লঞ্চ চলাচল। বৃহস্পতিবার (২৯ মে) পুরোপুরি বন্ধ থাকলেও শুক্রবার (৩০ মে) কয়েকটি রুটে লঞ্চ চলাচল শুরু করছে। তবে যাত্রী খরায় পন্টুনেই অপেক্ষমাণ রয়েছে লঞ্চগুলো।
এদিন বিকালে সদরঘাট টার্মিনাল ও পন্টুন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, নেই চিরচেনা ভিড়। পন্টুনে ভেড়ানো রয়েছে অল্প কিছু লঞ্চ। গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য আসা যাত্রীরা অনিশ্চয়তা নিয়ে অপেক্ষা করছেন লঞ্চ ছাড়ার।
ঘাট সংশ্লিষ্টরা জানান, দুপুরের পর চাঁদপুরসহ কাছাকাছি কয়েকটি রুটে লঞ্চ ছেড়ে গেছে। তবে কোনও ছোট আকৃতির লঞ্চ ছেড়ে যায়নি। একইভাবে কয়েকটি রুট থেকে লঞ্চ ছেড়ে এসেছে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) সূত্র জানায়, ৫টি লঞ্চের আগমন ও ৫টি লঞ্চ নির্গমন করেছে।
বরিশাল রুটের পারাবত লঞ্চের স্টাফ সাখওয়াত বলেন, রাত ৯টায় লঞ্চ ছেড়ে যাবে। কিন্তু যাত্রী নেই তেমন। ছাড়ার আগ মুহূর্তে যাত্রী হবে আশা করছি।
ভোলাগামী এমভি সাব্বির লঞ্চের কেবিন বয় রানা বলেন, যাত্রী নেই একেবারেই। মালামাল যাবে কিছু এগুলো নিয়েই রওনা করবো।
এই লঞ্চের যাত্রী ইউসুফ হোসেন বলেন, গতকাল (বৃহস্পতিবার) ঘাটে এসে ফিরে গেছি। আজ ফোন দিয়ে আসলাম লঞ্চ ছাড়বে শুনে। কিন্তু লঞ্চে যাত্রী নেই। তাই ছাড়বে কী ছাড়বে না বুঝতে পারছি না।
বিআইডব্লিউটিএ’র সদরঘাট নৌ টার্মিনালের যুগ্ম পরিচালক মুহম্মদ মোবারক হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, উপকূল অঞ্চল ছাড়া অন্য রুটগুলোতে লঞ্চ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার ৫টি লঞ্চের আগমন ও ৫টি নির্গমন হয়েছে।









