২০তম দিনেও অবস্থান কর্মসূচিতে ‘তথ্য আপা’ প্রকল্পের কর্মীরা

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
১৫ জুন ২০২৫, ১৭:৪২আপডেট : ১৫ জুন ২০২৫, ১৮:১৬

নিজেদের দুই দফা দাবি আদায়ে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচির পালন করছেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন ‘তথ্য আপা’ প্রকল্পের কর্মীরা। রবিবার (১৫ জুন) তাদের কর্মসূচির ২০তম দিন। গত ২৭ মে থেকে এই কর্মসূচি শুরু করেন তারা। তথ্য আপা প্রকল্পের কর্মীরা জানান, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাদের কর্মসূচি চলমান থাকবে।

তাদের দুই দফা দাবি হলো, পদ সৃষ্টি করে কর্মরত সব জনবলকে রাজস্ব খাতে স্থানান্তর করা এবং কেটে নেওয়া বেতন ও অন্যান্য ভাতা ফেরত দেওয়া।

অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় তাদের সঙ্গে কোনোরকমের যোগাযোগের চেষ্টা করে নাই। গত ১৫-২০ বছর ধরে হাজারটা প্রকল্পে কেউ আওয়ামী লীগ আখ্যা না পেলেও ‘তথ্য আপা’ প্রকল্পকে উপদেষ্টা আওয়ামী লীগের আবর্জনা বলে বিদায় করতে চাচ্ছেন; যার কোনও সুযোগ নেই। কারণ কোনও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কখনোই দলীয় হতে পারে না।

তারা বলেন, ডিপিপিতে উল্লেখ থাকা এবং অর্থ মন্ত্রণালয় ও মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থাকার পরও তারা পদ সৃষ্টি সম্পর্কিত কোনও উদ্যোগ নেয়নি। কিন্তু আমাদের মেয়েদের প্রতিনিয়ত রাজস্বের আশ্বাস দিয়ে কাজ করিয়ে নিয়েছে। এমনকি আমাদের বেতন থেকে প্রতি মাসে অবৈধভাবে অর্থ কাটা হয়েছে। তারা ব্যাখ্যা দিয়েছে, পরবর্তী সময়ে রাজস্ব নিতে সুবিধা হবে।

তারা আরও বলেন, তথ্য আপা প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের ৯০ শতাংশ সফলতার ওপরে ভিত্তি করে তৃতীয় পর্যায়ে আউটসোর্সিং হিসেবে আনার পাঁয়তারা করছে মন্ত্রণালয় ও প্রধান কার্যালয়। কারণ এখানে বিশাল নিয়োগ বাণিজ্য হবে। এ সময় তারা তাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন বলেও জানান।

উল্লেখ্য, তথ্য আপা প্রকল্পে বর্তমানে দেশের ৪৯২টি উপজেলায় মোট ১ হাজার ৯৬৮ জন কর্মী মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন। এর মধ্যে প্রতিটি তথ্যকেন্দ্রে একজন তথ্যসেবা কর্মকর্তা (দশম গ্রেড), দুজন সহকারী (১৬তম গ্রেড) এবং একজন অফিস সহায়ক (২০তম গ্রেড) নিয়োজিত রয়েছেন। এই কর্মীরা তৃণমূল নারীদের জন্য স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি, আইন, জেন্ডার, ব্যবসা, পরিবার পরিকল্পনা ও সাইবার সুরক্ষা–এই আটটি বিষয়ে তথ্য ও পরামর্শসেবা দিয়ে আসছেন।

/এএজে/আরকে/
সম্পর্কিত
এমপিওভুক্তির দাবিতে স্বতন্ত্র এবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষকদের অবস্থান ধর্মঘট
অনেক গুপ্ত চাঁদাবাজ জামায়াতে ইসলামীতে আশ্রয় নিয়েছে: রিজভী
রামিসা হত্যায় জড়িতদের দ্রুত বিচার ও শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি
সর্বশেষ খবর
বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি: সবচেয়ে বেশি চাপে মধ্যবিত্ত
বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি: সবচেয়ে বেশি চাপে মধ্যবিত্ত
দেশে ফিরেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান
দেশে ফিরেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান
মূল্যস্ফীতির আগুনে পুড়ছে মানুষ, বাড়ছে বিদ্যুতের দাম এরপর কী
মূল্যস্ফীতির আগুনে পুড়ছে মানুষ, বাড়ছে বিদ্যুতের দাম এরপর কী
থানায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে নির্যাতনের অভিযোগ, পুলিশের তদন্ত কমিটি
থানায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে নির্যাতনের অভিযোগ, পুলিশের তদন্ত কমিটি
সর্বাধিক পঠিত
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম