স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পালাবদলের মুহূর্ত ২০২৪ সালের জুলাই। গত বছরের জুলাই-আগস্ট মাসের দিনগুলো ফিরে দেখতে বাংলা ট্রিবিউনের এই প্রয়াস।
আজ ৩১ জুলাই। ২০২৪ সালের এই দিনে হত্যা, গণগ্রেফতার, হামলা, মামলা, জোরপূর্বক গুম এবং ছাত্র ও নাগরিকদের হত্যার প্রতিবাদে সারা দেশে ছাত্ররা ‘মার্চ ফর জাস্টিস’ নামে প্রতিবাদ করেন।
শিক্ষার্থীদের ৯টি সুনির্দিষ্ট দাবির পক্ষে দেশব্যাপী আদালত প্রাঙ্গণ, ক্যাম্পাস ও রাস্তায় এদিন দুপুর ১২টায় বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। সকাল ১১টা ২০ মিনিটে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও সিলেটের অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভের সমর্থনে বিশ্ববিদ্যালয়ের গেট থেকে কোর্ট পয়েন্টের দিকে মিছিল করেন।
দুপুর সোয়া ১টার দিকে বুয়েট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা হাইকোর্টের দিকে মিছিল করেন। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির কাছে পুলিশ তাদের থামায়। বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়। এর প্রতিক্রিয়ায় ছাত্ররা দোয়েল চত্বরে জড়ো হন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হোয়াইট প্যানেলের শিক্ষকরাও তাদের সঙ্গে যোগ দেন। প্রায় তিন ঘণ্টা বিক্ষোভের পর বিকাল ৩টার দিকে ঢাকায় বিক্ষোভ শেষ হয়।
সকাল ১১টা নাগাদ বিক্ষোভকারীরা চট্টগ্রাম আদালত চত্বরে জড়ো হতে শুরু করেন। পুলিশ ব্যারিকেড দেওয়া সত্ত্বেও প্রায় ২০০ জন বিক্ষোভকারী চত্বরে প্রবেশ করেন এবং অবস্থান নেন। ৫০ থেকে ৬০ জন বিএনপিপন্থি আইনজীবী ছাত্রদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন। বেলা সোয়া ৩টার দিকে আদালত চত্বর থেকে নিউ মার্কেট মোড় পর্যন্ত একটি পদযাত্রার মধ্য দিয়ে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ শেষ হয়।
বিক্ষোভের অংশ হিসেবে দুপুর ১২টা ২০ মিনিট থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বিক্ষোভ চলাকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থীকে আটক করে পুলিশ।
১৩ দিন বন্ধ থাকার পর বিকাল ৩টায় ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপসহ অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম আবার খুলে দেওয়া হয়।









