রাজধানীর আদাবরের সুনিবিড় হাউজিংয়ে আল আমিন নামে এক পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে আহত করে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে আদাবর থানার মামলায় ৬ জনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এহসানুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন। আসামিরা হলেন- মিজান মাতব্বর, রীনা বেগম, মো. রাব্বি, রবিউল ইসলাম, জুয়েল সরদার, সবুজ মিয়া।
আদালতে পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক মিজানুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
আজ আসামিদের আদালতে হাজির করে পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদাবর থানার উপ-পরিদর্শক রাকিবুল ইসলাম ৬ আসামিকে কারাগারে রাখার আবেদন করেন। আসামিদের মধ্যে রীনা বেগমের পক্ষে আইনজীবী তিন বছরের শিশু সন্তানকে দেখিয়ে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক রীনা বেগমের জামিন নামঞ্জুর করেন। একইসঙ্গে ৬ জনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
মঙ্গলবার সকালে তাদের আদাবর থেকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে গতকাল সোমবার আদাবরে দেশীয় ধারালো অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায় কিশোর গ্যাং চক্রের সদস্যরা। এতে আল-আমিন নামে পুলিশের এক সদস্য গুরুতর আহত হন। তিনি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
মামলার সূত্রে জানা গেছে, গত ১ সেপ্টেম্বর রাত ১০টার পর আদাবর থানা পুলিশ খবর পায়, আদাবর থানাধীন শ্যামলী হাউজিয়ের দ্বিতীয় প্রকল্পের শহীদুল ইসলামের বাড়ির ছাদে পলাশ নামে এক ব্যক্তিকে অপহরণ করে আটক রেখে মুক্তিপণ চাওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট থানার ফোর্সসহ মামলার বাদী ঘটনাস্থলে পৌঁছালে আসামিরা পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে কাচঁ ভাঙে এবং পুলিশ সদস্যদের ওপর মরিচের গুড়া নিক্ষেপ করে। অতর্কিত আক্রমণ হয়েছে বুঝতে পেরে পুলিশ সদস্যরা আত্মরক্ষার্থে অস্ত্র বের করতে চাইলে আসামিরা সামরাই চুরি, দেশীয় অস্ত্রসহ তাদের ওপর হামলা করে। এতে আল আমিন নামে এক পুলিশ সদস্য মারাত্মকভাবে জখম পান। পরে পুলিশের উপস্থিতি বৃদ্ধি পাওয়ায় আসামিরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানার উপ-পরিদর্শক ইব্রাহিম খলীল মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) আদাবর থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা করেন।









