শনাক্ত হচ্ছে ভুয়া জুলাই শহীদ ও জুলাইযোদ্ধা, দায় কার?

শফিকুল ইসলাম
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০০:০১আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০০:০১

জুলাই আন্দোলনে শহীদ না হয়েও সরকারি প্রজ্ঞাপনে নাম এসেছে এমন ৫২ জনের তথ্য পুনরায় যাচাই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। এ বিষয়ে তথ্য যাচাই করতে সব বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের চিঠি দিয়েছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

এর আগে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার ও জুলাইযোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন অধ্যাদেশ-২০২৫ এবং রুলস অব বিজনেস অনুযায়ী আটজন শহীদের গেজেট বাতিল করা হয়েছে।

সরকার বলছে, ভুয়া প্রমাণিত হলে জুলাই শহীদ ও যোদ্ধাদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে। কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে- সরকারি গেজেটে ভুয়া নাম যুক্ত হলো কীভাবে? নাম অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে কারা জড়িত? তালিকায় এ ধরনের নাম অন্তর্ভুক্তির দায় কার? এর শাস্তিই বা কী? 

জুলাই শহীদ এবং জুলাইযোদ্ধা কারা

কারা জুলাই শহীদ এবং কারা জুলাইযোদ্ধা হিসেবে বিবেচিত হবেন সে বিষয়ে 'জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার এবং জুলাইযোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন অধ্যাদেশ-২০২৫'-এ সুনির্দিষ্ট করে বলা হয়েছে।

অধ্যাদেশ অনুযায়ী, ‘জুলাইযোদ্ধা’ হবেন তারা, যারা জুলাই আন্দোলন চলাকালে তৎকালীন সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা তৎকালীন ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের সদস্যদের আক্রমণে আহত। এছাড়া তৎকালীন সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা তৎকালীন ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের সদস্যদের আক্রমণে মৃত্যুবরণকারী ব্যক্তি ‘জুলাই শহীদ’ হিসেবে মর্যাদা পাবেন।

অর্থাৎ, অধ্যাদেশ অনুযায়ী সরাসরি জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণ করা ছাড়া শহীদ বা যোদ্ধা তালিকায় নাম থাকার সুযোগ আইনিভাবে নেই। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। এক বছর না যেতেই জুলাইযোদ্ধা ও জুলাই শহীদের তালিকায় এমন অনেক নাম নিয়ে বিতর্ক উঠেছে, যারা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। এমন অনেক ব্যক্তি ও পরিবার জুলাইযোদ্ধা ও জুলাই শহীদ পরিবারের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি নানা সুযোগ-সুবিধাও ভোগ করছেন।

সরকার প্রত্যেক জুলাই শহীদের পরিবারকে এককালীন ৩০ লাখ টাকা ও প্রতিমাসে ২০ হাজার করে টাকা ভাতা দিচ্ছে। এসব পরিবারকে বিনামূল্যে ফ্ল্যাট দেওয়ার প্রকল্পও চূড়ান্ত হয়েছে। অন্যদিকে, আহত তালিকায় থাকা জুলাইযোদ্ধারা ক্যাটেগরি অনুযায়ী ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত মাসিক ভাতা পাচ্ছেন। অঙ্গহানি হলে এক লাখ থেকে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থ-সহায়তা পাচ্ছেন। এছাড়া চিকিৎসা সহায়তা, সরকারি ও আধা সরকারি চাকরিতে অগ্রাধিকার, পুনর্বাসন সুবিধা তো রয়েছেই।

এসব সুবিধা পেতেই জুলাই শহীদ ও জুলাইযোদ্ধার তালিকায় নাম ওঠানোর জন্য অনেকেই অনৈতিক পথ বেছে নিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। যা এখন ধাপে ধাপে শনাক্ত হচ্ছে।

যেভাবে প্রণয়ন করা হয় তালিকা

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে গঠিত হয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদফতর। এই দফতর থেকেই জুলাই শহীদ এবং জুলাইযোদ্ধাদের নাম গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়। তার আগে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে জুলাই শহীদ ও জুলাইযোদ্ধাদের একটি তালিকা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। যা পরবর্তীতে গেজেট আকারে প্রকাশ করে সরকার। গেজেটে নাম উঠলেই তিনি সরকারি সুবিধা পাওয়ার যোগ্য হন।

সূত্র জানিয়েছে, মাঠপর্যায়ে সম্পাদিত হয় জুলাই শহীদ ও জুলাইযোদ্ধা শনাক্তের কার্যক্রমটি। এ জন্য দেশের প্রতিটি জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসককে (ডিসি) প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করে দিয়েছে সরকার। কমিটিতে সদস্য সচিব হিসেবে রয়েছেন সংশ্লিষ্ট জেলার সিভিল সার্জন। নিয়ম অনুযায়ী জুলাই শহীদ বা জুলাইযোদ্ধা হিসেবে নাম তালিকাভুক্ত করতে এই কমিটি বরাবর আবেদন করতে হয়। জুলাই শহীদের ক্ষেত্রে তার আত্মীয়-স্বজন, বিশেষ করে ভাই বোন বা পিতা-মাতা; এবং জুলাইযোদ্ধার ক্ষেত্রে ব্যক্তি নিজে সংশ্লিষ্ট কমিটির কাছে আবেদন করে থাকেন। এ জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বিশেষ করে হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার প্রমাণপত্র জমা দিতে হয়।

জেলা থেকে এসব কাগজপত্রের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য আবেদনকারীদের নিজ নিজ উপজেলা পর্যায়ে পাঠানো হয়। সেখানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (টিএইচএ) এসব কাগজপত্র যাচাই বাছাই করে পুনরায় জেলা কমিটির কাছে পাঠান। জেলা কমিটি এই তালিকা অনুযায়ী আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করে। তারপর চূড়ান্ত হয় জুলাই শহীদ এবং জুলাইযোদ্ধা।

তাহলে প্রশ্ন উঠতেই পারে- তালিকায় ভুয়া জুলাই শহীদ এবং ভুয়া জুলাইযোদ্ধার নাম এলো কীভাবে? কারা এর সঙ্গে যুক্ত?

যা বলছেন সংশ্লিষ্টরা

বিষয়টি নিয়ে জানতে বাংলা ট্রিবিউন দেশের একাধিক জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জন ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলেছেন। তাদের মধ্যে কেউ কেউ সরাসরি মন্তব্য করলেও অনেকেই এ বিষয়ে মুখ খোলার ক্ষেত্রে নাম প্রকাশে অনিচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে রংপুর বিভাগের একজন জেলা প্রশাসক বলেন, ‘তালিকায় ভুয়া নাম অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে প্রশাসনের কেউ যুক্ত নয়।’

তার অভিযোগ, এসব ভুয়া নাম তালিকায় ওঠানোর ক্ষেত্রে ছাত্র প্রতিনিধি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পদধারী নেতা এবং ‘সমন্বয়ক’ পদধারী কিছু ব্যক্তি জড়িত।

সিলেট বিভাগের একজন সিভিল সার্জন নাম না প্রকাশের শর্তে বলেন, ‘২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরপরই যেসব তালিকা হয়েছে সেসব তালিকায় নাম তোলার ক্ষেত্রে অনেকের কাগজপত্র যাচাই বাছাইয়ে বাধা দেওয়া হয়েছে। অনেকের নাম তালিকায় রাখতে চাপ এসেছে। ফলে সেসব ক্ষেত্রে কাগজপত্র যথাযথ বাছাই না করতে পারার মতো ব্যত্যয় ঘটেছে। বাস্তবতার কারণেই সেই সময় অনেকে বাধা ও চাপ কাটিয়ে উঠতে পারেননি। তাই কোনও অনিয়মের দায় প্রশাসন নেবে না।’

বরিশাল বিভাগের একজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা উপজেলায় দায়িত্ব নেওয়ার দুই মাসেরও কম সময়ের মধ্যে তালিকার জন্য কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করতে হয়েছে। কাজটি আমাদের জন্য খুব কঠিন ছিল। কারণ আমার এলাকায় সহিংসতায় কেউ হতাহত হননি। যাদের নাম এসেছিল তারা আহত বা নিহত হয়েছেন ঢাকায়। তাদের বাড়ি এখানে। কিন্তু আমরা এলাকার পথঘাট চিনি না। স্থানীয় বাসিন্দাদেরও চিনি না। চেনার জন্য কারও সহযোগিতা নিতে পারিনি। কারণ অধিকাংশ নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা পলাতক। এমন পরিস্থিতিতে কোনও কোনও রাজনৈতিক দলের নেতা, ছাত্র প্রতিনিধি এবং ছাত্র সমন্বয়কদের তদবিরের কারণে অনেকের কাগজপত্র সঠিকভাবে যাচাই বাছাই করা সম্ভব হয়নি।’

তবে বরগুনার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শফিউল আলম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘জেলা পর্যায়ে কোনও ভুয়া শহীদ বা ভুয়া যোদ্ধার নাম তালিকায় ওঠার ‍সুযোগ নেই। আমরা উপজেলা থেকে যাচাই বাছাই হয়ে আসা কাগজপত্র অনুযায়ী আবেদনকারীদের সরাসরি সাক্ষাৎকার গ্রহণ করি। তারপর তালিকা চূড়ান্ত করি। সন্দেহ হলে বাদ দিই।’

জামালপুরের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আজিজুল হক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমার এখানে স্থানীয় পর্যায়ে তেমন আন্দোলন হয়নি। আন্দোলন যা হওয়ার তার বেশিরভাগই রাজধানীতে হয়েছে। কাজেই আমাদের এখানে কোনও ভুয়া কাগজপত্র দিয়ে জুলাই শহীদ বা যোদ্ধার তালিকায় নাম নেই। যেসব কাগজ পেয়েছি, তা অধিকতর যাচাই বাছাই করেই চূড়ান্ত করেছি।’

পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তরিকুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমার এখানে সেরকম কোনও আন্দোলন হয়নি। তাই আহত নিহত হওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। তবে রাজধানীতে সংঘটিত আন্দোলনে আহত বা নিহত হয়েছেন এমন অনেকের নাম আসে। সেক্ষেত্রে সেগুলো এখানে বসে সত্য-মিথ্যা প্রমাণ করা খুবই কঠিন।’

তিনি বলেন, ‘শুরুর দিকে পরিস্থিতি ছিল ভিন্ন। তাই হয়তো কোথাও অনিয়ম হলেও হতে পারে। তবে এখন পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে, তাই অধিকতর যাচাই বাছাই করার সুযোগ এসেছে।’

ময়মনসিংহের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রেজা মো. গোলাম মাসুম প্রধান বলেন, ‘জুলাইযোদ্ধাদের তালিকা যাচাই-বাছাইয়ের জন্য মন্ত্রণালয় থেকে কোনও চিঠি বা নির্দেশনা আমাদের কাছে এখনও আসেনি। জুলাইযোদ্ধাদের তালিকা জেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে একটি কমিটির মাধ্যমে হয়েছিল। সেখানে কোনও ভুয়া যোদ্ধা ধরা পড়েনি। আর এখন যদি তালিকায় ভুয়া ধরা পড়ে সেটি আমরা সংশোধন করে দেবো। এর বাইরে আমাদের কিছুই করার নেই। এখানে কারও দায়ও নেই।’

খুলনার জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান বলেন, ‘জুলাই শহীদ ও জুলাইযোদ্ধা তালিকায় ভুয়া লোকের নাম যুক্ত থাকার বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। উপজেলা কমিটি থেকে জেলায় রিপোর্ট আসবে। কোনও ভুয়া লোক তালিকায় থাকলে জেলা থেকে সে বিষয়ে মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ করা হবে। তালিকায় থাকা ভুয়া ব্যক্তি নিজে থেকে সরে গেলে কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু তদন্তে শনাক্ত হলে আইন অনুযায়ী শাস্তির আওতায় আনা হবে। তালিকা যারা করেছেন তারা নতুন লোক ছিলেন। তাদের ভুল ত্রুটি এখন বড় করে দেখা হচ্ছে না। কারণ তারা বিভিন্ন এলাকা থেকে এসে অচেনা এলাকায় কাজ করেছেন।’

শাস্তির বিধান

জুলাই শহীদ বা জুলাইযোদ্ধার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে কেউ যদি প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে থাকে সেক্ষেত্রে শাস্তির বিধান রেখে অধ্যাদেশ জারি করেছে সরকার। এ বছরের ১৭ জুন জারি করা অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, যদি কোনও ব্যক্তি শহীদ পরিবারের সদস্য বা আহত জুলাইযোদ্ধা না হওয়া সত্ত্বেও মিথ্যা তথ্য দিয়ে সরকারি সুবিধা গ্রহণ করে থাকেন তাহলে তিনি অপরাধ করেছেন বলে গণ্য হবে। এ ক্ষেত্রে তাকে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড এবং দুই লাখ টাকা জরিমানা বা নেওয়া সুবিধা ও আর্থিক সহায়তার দ্বিগুণ পরিমাণ জরিমানা দিতে হবে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক ই আজম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘কেউ প্রতারণার সুযোগ নিলে তার বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা নেবে। সে যেই হোক না কেন। তার শাস্তি কী হবে তা বিদ্যমান অধ্যাদেশে বলা আছে। তবে এর সঙ্গে প্রশাসনের কেউ সম্পৃক্ত হলে তার বিরুদ্ধেও সরকারি কাজে অবহেলার অভিযোগ আনা হবে।”

উল্লেখ্য, সরকারি গেজেট অনুযায়ী মোট জুলাইযোদ্ধার সংখ্যা ক- শ্রেণিতে ৬০২ জন, খ- শ্রেণিতে এক হাজার ১১৮ জন এবং গ-শ্রেণিতে ১২ হাজার ৩৮ জন।

এই সংক্রান্ত বিধিমালা অনুযায়ী, ক- শ্রেণির আহতরা এককালীন ৫ লাখ টাকা পাচ্ছেন। এরই মধ্যে তাদের ২ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। চলতি অর্থবছরে বাকি ৩ লাখ টাকা দেওয়া হবে। এছাড়াও তারা প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা করে ভাতা পাচ্ছেন।

খ- শ্রেণির আহতরা এককালীন ৩ লাখ টাকা পাবেন। গত অর্থবছরে তাদের এক লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। বাকি ২ লাখ টাকা চলতি অর্থবছরে দেওয়া হবে। তারা মাসিক ১৫ হাজার টাকা করে ভাতা পাবেন।

গ- শ্রেণির আহতদের এককালীন এক লাখ করে টাকা দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে তারা প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা করে ভাতা পাবেন।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে নিহত ও আহত মুক্তিযোদ্ধাদের নাম সংবলিত গেজেট রয়েছে। তারাও সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সুবিধা পেয়ে থাকেন। মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে হলে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে এবং এর সঙ্গে লাল মুক্তিবার্তা/ভারতীয় তালিকার ফটোকপি, জীবিত মুক্তিযোদ্ধার এনআইডি কার্ডের ফটোকপি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে), এবং মৃত মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যু সনদের মতো প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে। আবেদন প্রক্রিয়াটি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে আপলোড করা থাকে এবং যাচাই-বাছাই শেষে গেজেট প্রকাশ করা হয়।

/এম/এমওএফ/
সম্পর্কিত
ধামরাইয়ে সাদ হত্যা মামলা পুনঃতদন্তের দাবি এনসিপির
শহীদ ওয়াসিমের কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী
পেট্রোল ঢেলে জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে আগুন
সর্বশেষ খবর
আশুরার প্রথম প্রহরে রাজধানীতে ‘ইয়া হোসাইন’ ধ্বনিতে শোকের মাতম
আশুরার প্রথম প্রহরে রাজধানীতে ‘ইয়া হোসাইন’ ধ্বনিতে শোকের মাতম
খুচরা বিক্রেতাদের ওপর ০.২ শতাংশ অগ্রিম কর প্রত্যাহারের দাবি
খুচরা বিক্রেতাদের ওপর ০.২ শতাংশ অগ্রিম কর প্রত্যাহারের দাবি
মা ও তিন মেয়েকে কুপিয়ে হত্যার রহস্য কী, যা বললেন প্রতিবেশীরা
মা ও তিন মেয়েকে কুপিয়ে হত্যার রহস্য কী, যা বললেন প্রতিবেশীরা
মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানী ভাতা বৃদ্ধির দাবি সংসদে
মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানী ভাতা বৃদ্ধির দাবি সংসদে
সর্বাধিক পঠিত
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বাবা, ঘাতকের হাতে মা ও তিন মেয়ের মৃত্যুতে শেষ একটি পরিবার
লক্ষ্মীপুরে বাসায় ঢুকে কুপিয়ে হত্যাবিদ্যুৎস্পৃষ্টে বাবা, ঘাতকের হাতে মা ও তিন মেয়ের মৃত্যুতে শেষ একটি পরিবার
তীব্র গরমেও ইউরোপে কেন এসি এত বিরল
তীব্র গরমেও ইউরোপে কেন এসি এত বিরল
বিএসএফের ২১ ঘণ্টার চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে প্রশংসায় ভাসছে বিজিবি 
বিএসএফের ২১ ঘণ্টার চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে প্রশংসায় ভাসছে বিজিবি 
নতুন নিয়মে ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা আবেদন কীভাবে করবেন
নতুন নিয়মে ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা আবেদন কীভাবে করবেন
তিন গ্রুপের খেলা শেষ, দ্বিতীয় রাউন্ডে কোন দল কার মুখোমুখি হচ্ছে
তিন গ্রুপের খেলা শেষ, দ্বিতীয় রাউন্ডে কোন দল কার মুখোমুখি হচ্ছে