রাজধানীর মুগদা হাসপাতালের সামনে থেকে তিন বছরের একটি শিশু অপহরণের ঘটনায় সন্দিগ্ধ আসামি মো. জাকির হোসেনকে (৩৪) কারাগারে পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমান জামিন আবেদন নাকচ আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
আসামি পক্ষে আইনজীবী মো. মাহবুবুর রহমান খান জামিন আবেদন করেন।
সংশ্লিষ্ট নারী-শিশু শাখার জিআরও এসব তথ্য জানান।
আজ সকালে সাড়ে ৫টায় জাকির হোসেনকে মান্ডার মাহিমের গ্যারেজ থেকে গ্রেফতার করে মুগদা থানা-পুলিশ। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মুগদা থানার উপ-পরিদর্শক নাজমুল আলম তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করেন।
তিনি বলেন, জাকির হোসেনের বিষয়ে শিশু অপহরণের প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে। সে ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় চুরি, ছিনতাই, অপহরণ করে বলে প্রাথমিক তথ্য রয়েছে। সে জামিন পেলে পলাতক হওয়ার সম্ভাবনা আছে। সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে কারাগারে রাখা প্রয়োজন।
এর আগে শিশুটির মা সুমাইয়া আক্তার (৩৫) বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এজাহারে উল্লেখ করা হয়, সুমাইয়া আক্তার গৃহিণী, তার স্বামী সুইজারল্যান্ড প্রবাসী। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) চিকিৎসার জন্য সুমাইয়া মুগদা মেডিক্যালে কলেজ হাসপাতালে যান। ডাক্তার দেখানো শেষে একটি অটোরিকশায় মৌচাক মার্কেটের উদ্দেশে রওনা হন। তখন শিশুটি পানি পান করতে চায়। মা তাকে রিকশায় রেখে পানি কিনতে যান। পানি এনে আর শিশুটিকে খুঁজে পান না। পরে থানায় গিয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।
বুধবার দুপুর ১টার দিকে মুগদা মেডিক্যাল কজেল হাসপাতাল গেটের বাইরে থেকে শিশুটিকে নিয়ে উধাও হয় রিকশাচালক। পরে গাইবান্ধা থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়।









