রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশান-বনানীর অনুমোদনবিহীন মাদক সিসা ও সিসা লাউঞ্জ বন্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। ডিএমপি কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের এই নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে।
এ সংক্রান্ত রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি আনোয়ারুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট এস এম জুলফিকার আলী জুনু।
এর আগে গত ১৮ জানুয়ারি রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশান-বনানীর অনুমোদনবিহীন মাদক সিসা ও সিসা লাউঞ্জ বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে রিট দায়ের করা হয়।
ন্যাশনাল ল’ইয়ার্স কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এস এম জুলফিকার আলী জুনু এ রিট দায়ের করেন।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সচিব, পুলিশের আইজি, র্যাবের মহাপরিচালক, ডিএমপি কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের রিটে বিবাদী করা হয়েছে।
গত ৮ জানুয়ারি রাজধানীর অভিজাত এলাকায় অনুমোদনবিহীন মাদক সিসা ও সিসা লাউঞ্জ বন্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে সরকারকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়। নোটিশে পত্রিকায় প্রকাশিত এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন সংযুক্ত করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজধানীর গুলশান, বনানী, ধানমন্ডি ও উত্তরার মতো অভিজাত এলাকায় রাত গভীর হলে জমে ওঠে গোপন আড্ডা। বাইরে থেকে ক্যাফে বা লাউঞ্জ মনে হলেও ভেতরে এগুলো রূপ নেয় সিসা বারে। সেখানে তামাকজাত সিসার সঙ্গে ব্যবহার হয় নানা ধরনের মাদক। অনেক জায়গায় চলে অনৈতিক কার্যক্রমও। অথচ দেশে সিসা বার পরিচালনার কোনো বৈধ অনুমতি নেই। আইন স্পষ্টভাবে নিষেধাজ্ঞা দিলেও কার্যকর তদারকির অভাবে নিয়ন্ত্রণহীনভাবে বেড়ে চলেছে এ সংস্কৃতি।








