আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) গাবতলী বাস টার্মিনাল পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
আইজিপি বলেন, প্রতি বছর ঈদযাত্রায় যাত্রীদের নানা ভোগান্তির শিকার হতে হয়। বিশেষ করে সড়কে দীর্ঘ যানজটে আটকে থাকতে হয়। অনেকেই ঈদের আগের দিন রওনা দিয়ে সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন না। মহাসড়কগুলোতে ব্যবস্থাপনা উন্নত করতে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, দেশের বিভিন্ন বড় বাজার ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে সারা বছরই যানজট লেগে থাকে। এসব স্থানে পুলিশের উপস্থিতি জোরদার করা এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করে যানজট কমানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি গুরুত্বারোপ করা হয়েছে পরিবহন খাত সংশ্লিষ্ট চালক ও সহকারীদের ট্রাফিক আইন মেনে চলার ওপরও। তাদের ট্রাফিক আইন বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও সচেতনতা বৃদ্ধির জন্যও আহ্বান জানানো হয়েছে।
গাবতলী বাস টার্মিনালের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে আইজিপি বলেন, এখানে মাদকসেবী ও ছিনতাইকারীদের উপস্থিতি রয়েছে। তবে এ বিষয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে পুলিশ এবং দেশের সব ইউনিটকে সার্বক্ষণিক দায়িত্বে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি আশ্বস্ত করেন, কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা বা অপরাধের সঙ্গে আপস করা হবে না।
রাজধানীতে অবৈধ বাস কাউন্টার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ঢাকা শহরের ভেতরে দূরপাল্লার বাস কাউন্টার থাকতে পারবে না। এসব অপসারণে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একইসঙ্গে কাউন্টার ব্যবস্থার বিকেন্দ্রীকরণের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার পরও যাত্রীদের অভিযোগ না করার প্রবণতা প্রসঙ্গে আইজিপি বলেন, আইন জানা প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব। ‘আইন জানা ছিল না’—এমন অজুহাত গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি সবাইকে সচেতন হয়ে নিজের অধিকার সম্পর্কে জানার আহ্বান জানান।








