সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের পার্শ্ববর্তী আল-খারজে গত ৮ মার্চ ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় দুজন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। একই হামলায় আরও ১০ বাংলাদেশি আহত হয়েছেন, তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক। নিহত দুই জন হলেন—কিশোরগঞ্জের কটিয়াদি উপজেলার জালালপুরের পশ্চিম ফিকামার এলাকার রইস উদ্দিনের ছেলে বাচ্চু মিয়া ও টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলার কচুয়ার কীর্তনখোলা এলাকার মো. সুরজত আলীর ছেলে মো. মোশাররফ হোসেন। এর মধ্যে মোশাররফ হোসেনের মরদেহ দেশে আসছে শুক্রবার (২০ মার্চ) সকালে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার ছোট ভাই মিজানুর রহমান।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত প্রবাসীর মরদেহ শুক্রবার সকাল পৌনে ১১টায় সৌদি এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছানোর কথা আছে।
দূতাবাস সূত্রে জানা যায়, ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত বাচ্চু মিয়ার দেহ ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে।
সৌদি আরবের রিয়াদে প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটির কাছে আল-খারজের একটি ক্লিনিং মেইন্টেনেন্স কোম্পানির আবাসন ব্যবস্থা রয়েছে। সেখানে ওই কোম্পানির কর্মীরা বসবাস করেন। এই আবাসিক এলাকায় গত ৮ মার্চ বিকালে ইফতারের প্রস্তুতি নেওয়ার আগ মুহূর্তে আঘাত হানে ক্ষেপণাস্ত্র। এতে দুই জন বাংলাদেশি নিহত হন, আর আহত হন ১০ জন। আহতদের মধ্যে আবদুল্লাহ আল মামুনের অবস্থা গুরুতর। তার শরীরের ৭২ শতাংশ পুড়ে গেছে। তার রক্তচাপ খুবই কম এবং বর্তমানে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে।









