ঈদ সামনে রেখে শুরু হয়েছে ছুটি। পরিবার-পরিজন নিয়ে রাজধানী ছেড়ে গ্রামের বাড়ির পথে রওনা হয়েছেন অনেকেই। সড়ক ও নৌপথের পাশাপাশি আকাশপথেও যাত্রীদের ভিড় বাড়ছে।
এ অবস্থায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কয়েকটি অভ্যন্তরীণ রুটে অতিরিক্ত ফ্লাইট চালু করেছে। অন্যদিকে বেসরকারি এয়ারলাইন্সগুলো তাদের নিয়মিত ফ্লাইটই পরিচালনা করছে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, “ঢাকা-রাজশাহী-ঢাকা ও ঢাকা-সৈয়দপুর-ঢাকা রুটে ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। টিকিটের সংকট নেই, অতিরিক্ত মূল্যও নেওয়া হচ্ছে না। আমাদের ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপ, হটলাইন, বিকাশ বা ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে টিকিট কিনলে ১০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দেওয়া হচ্ছে।”
তবে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের জনসংযোগ কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম বলেন, “আমরা আগের মতোই ফ্লাইট পরিচালনা করছি। দীর্ঘ ছুটি ও আগেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ায় যাত্রী কিছুটা কমেছে। সড়ক ও রেলপথের উন্নয়নও এর একটি কারণ। টিকিটের দাম আগের মতোই রয়েছে, টিকিটও পাওয়া যাচ্ছে।”
নভোএয়ারের এক কর্মকর্তা জানান, তাদের ফ্লাইট সংখ্যাও আগের মতোই রয়েছে।
রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ডমেস্টিক টার্মিনাল ঘুরে দেখা গেছে, যাত্রীরা নিজ নিজ গন্তব্যে যাচ্ছেন। রংপুরগামী যাত্রী আমিনুর রহমান বলেন, “পরিবার নিয়ে ঈদ করতে যাচ্ছি। সড়ক বা রেলপথের তুলনায় আকাশপথে যাওয়া বেশি স্বাচ্ছন্দ্য। খরচ একটু বেশি হলেও সময় কম লাগে, তাই বিমানে যাচ্ছি।”
রাজশাহীগামী যাত্রী আব্দুল গাফ্ফার বলেন, “ঝামেলা এড়াতে আমরা সবসময় আকাশপথে যাতায়াত করি। এবারও তাই করছি। ফেরার টিকিটও আগেই কেটে রেখেছি। অল্প সময়েই পৌঁছে যাওয়া যায়।”
তিনি আরও বলেন, “সড়ক পথে যমুনা সেতুতে দীর্ঘ যানজটের অভিজ্ঞতা আছে। পরিবার নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই আকাশপথ বেছে নিয়েছি।”
যাত্রীরা বলছেন, সময় বাঁচানো ও স্বস্তির জন্য অনেকেই এখন আকাশপথে ভ্রমণকে প্রাধান্য দিচ্ছেন।









