বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) সাবেক চেয়ারম্যান ড. এম মোশারফ হোসেন এবং তার স্ত্রী জান্নাতুল মাওয়ার আয়কর নথি জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে লৌহজং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ শিকদারের আয়কর নথি জব্দেরও আদেশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৩১ মার্চ) দুদকের পৃথক তিন আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজের আদালত এ আদেশ দেন।
তাদের আয়কর নথি জব্দ চেয়ে আবেদন করেন উপ সহকারী পরিচালক মো. মোস্তাফিজুর রহমান।
ড. মোশারফ হোসেনের আয়কর নথি জব্দের আবেদনে বলা হয়, ড. এম মোশারফ হোসেনের বিরুদ্ধে ১ কোটি ৩৬ লাখ ৫৩ হাজার ৩ টাকার জ্ঞাত আয়ের উৎস বর্হিভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারায় মামলা হয়। মামলা তদন্তের স্বার্থে আসামি ড. এম মোশারফ হোসেনের ২০২২-২৩ করবর্ষ পর্যন্ত দাখিলকৃত আয়কর নথি জব্দ করা প্রয়োজন।
এছাড়া জান্নাতুল মাওয়ার আয়কর নথি জব্দের আবেদনে বলা হয়, তাদের বিরুদ্ধে ১৩ কোটি ৩৮ লাখ ৯৮ হাজার ৩৭৩ টাকার জ্ঞাত আয়ের উৎস বর্হিভূত সম্পদ অর্জন এবং সহায়তার অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় মামলা হয়। মামলা তদন্তের স্বার্থে আসামি জান্নাতুল মাওয়ার ২০২২-২৩ করবর্ষ পর্যন্ত দাখিলকৃত আয়কর নথি জব্দ করা প্রয়োজন।
আব্দুর রশিদ শিকদারের আয়কর নথি জব্দের আবেদনে বলা হয়, তার বিরুদ্ধে ৭ কোটি ২ লাখ ১৪ হাজার ৪০৬ টাকার জ্ঞাত আয়ের উৎস বর্হিভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারায় মামলা করা হয়। বর্তমানে মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে।
মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ১৯ ধারা ও দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ এর ২০ বিধি অনুযায়ী আসামি আব্দুর রশিদের শুরু থেকে ২০২১-২২ করবর্ষ পর্যন্ত দাখিলকৃত আয়কর নথি জব্দপূর্বক পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।









