দক্ষিণ কোরিয়ায় কর্মসংস্থানের আশায় অটোরোস্টার ও পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলনরতদের রাজধানীর ইস্কাটন থেকে সরিয়ে দিয়েছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে পুলিশের বলপ্রয়োগের কারণে রাস্তা ছাড়েন দক্ষিণ কোরিয়াগামী আন্দোলনকারীরা।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে ইস্কাটনে অবস্থিত প্রবাসী কল্যাণ ভবনের সামনের সড়ক অবরোধ করেন তারা। এ সময় একাধিকবার প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সচিবের সঙ্গে বৈঠক হয় তাদের। তবুও রাস্তা ছাড়েননি আন্দোলনকারীরা। এক পর্যায়ে বিকালে পুলিশ বলপ্রয়োগের মাধ্যমে তাদের রাস্তা ছাড়তে বাধ্য করে।
আন্দোলনকারীরা বলেন, মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করলে তারা শুধু বলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে তা আর জানায় না। ২০২৩ সাল থেকে আমরা এই অটোরোস্টারের ভোগান্তিতে আছি। আমরা আর ভুগতে চাই না। যদি এবার আমাদের দাবি মেনে নেওয়া না হয় তবে ইপিএস পদ্ধতি বাতিল করতে হবে, কোরিয়ার বাজার বন্ধ করতে হবে।
এর আগে বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে প্রবাসী কল্যাণ ভবনের সম্মেলন কক্ষে আন্দোলনকারী প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে বসে প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুরসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।
আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে নুরুল হক নুর বলেন, দক্ষিণ কোরিয়ায় আমাদের জন্য যে নিয়ম, ১৬ দেশের জন্য একই নিয়ম। ফলে তারা আমাদের জন্য আলাদা নিয়ম তৈরি করতে পারবে না। তবে আমরা চেষ্টা করবো, যাতে আপনাদের আমরা পাঠাতে পারি। কিন্তু আমরা কোনও টাইমলাইন দিতে পারবো না।
তিনি আরও বলেন, আমরা চেষ্টা করছি, যারা দক্ষিণ কোরিয়ায় যেতে পারেনি তাদের ওই দেশের পাশাপাশি অন্য দেশে পাঠানোর চেষ্টা করছি। পাশাপাশি আমরা অটোরোস্টার ব্যবস্থা চালুরও চেষ্টা করছি। তবে আজকের পর আন্দোলন করলে পুলিশ ব্যবস্থা নেবে।
ডিএমপির রমনা জোনের এডিসি (ডিসির দায়িত্ব পালনকারী) মীর আসাদুজ্জামান বলেন, আন্দোলনকারীদের ওপর বলপ্রয়োগ করা হয়নি। তাদের নরমালি সরিয়ে রাস্তা ও পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়েছে।









