জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্য সচিব তারেক রেজাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঝিনাইদহ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি এনামুল কবিরের দায়ের করা মামলায় রবিবার (২৪ মে) বিকালে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার হওয়ার আগে তিনি নিজের ফেসবুকে লাইভ করছিলেন। সেখানে দেখা যায় তিনি একটি রিক্সা করে লাইভ করতে করতে যাচ্ছেন।
গত শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর এনসিপির কেন্দ্রীয় মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার ঘটনার পর উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে যুব শক্তির একজন নেতাকে আটক করে। তার মুক্তির দাবিতে রবিবার সংবাদ সম্মেলন করার কথা ছিল।
লাইভে তিনি বলেন, “আপনারা সবাই জানেন নাসির ভাইয়ের ওপর হামলার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা মামলা করি গত পরশু। এর প্রেক্ষিতে গতকাল বিএনপি আমাদের নামে একটা ভুয়া মামলা দেয়। সেই মামলাতে আবার অয়ন নামে যুবশক্তি এক নেতাকে তারা (পুলিশ) অ্যারেস্ট করে নিয়ে আজ যে প্রহসন করছে সেই প্রহসনের বিরুদ্ধে একটা সংবাদ সম্মেলন ডেকেছিলাম। সেখানে যাচ্ছি কিন্তু পুলিশ ওখানে অবস্থান নিয়েছে আমাকে অ্যারেস্ট করার জন্য, অ্যারেস্ট করতে পারে। অ্যারেস্ট করলে করুক, সমস্যা নাই। পুলিশের দায়িত্ব পুলিশ পালন করুক, আমার দায়িত্ব আমি পালন করবো।”
তিনি লাইভে আরও বলেন, “কিন্তু ওখানে শুনছি যে— বিএনপির নেতাকর্মীরাও জড়ো হয়েছে আমাকে মারধর করার জন্য। তারা চায় না আমি অ্যারেস্ট হই, বরং তারা আমাকে মারবে। দেখা যাক কী হয়। আমি যাচ্ছি, হোপফুলি আমি আমার সংবাদ সম্মেলনটা করতে পারবো। পুলিশ যদি অ্যারেস্ট করে— সেটা ভিন্ন আলাপ। আর ওরা যদি মারধর করে তাহলে তো কিছু করার নাই। আল্লাহ ভরসা।”
লাইভ করতে করতে তিনি যখন ফ্যামিলি জোনের সামনে পৌঁছান তখন একজন পুলিশ সদস্য এসে জিজ্ঞেস করেন— “আপনার নামে মামলা আছে?” জবাবে তারেক বলেন, “জি, আছে।” এরপর পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। এসময় তারেক বলতে থাকেন, “পুলিশ আরেস্ট করে নিয়ে যাচ্ছে আমাকে।”
পরবর্তী সময়ে পুলিশ লাইভ কেটে দেওয়ার কথা বললে তিনি লাইভ কেটে দেন।









