ক্যানসার জয়ীদের লড়াইকে সম্মান জানাতে এবং সচেতনতা বাড়াতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর সি মজুমদার মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ক্যানসার সার্ভাইভার সম্মাননা প্রদান-২০২৬। রবিবার (২৬ জুলাই) বিকালে সেন্টার ফর ক্যানসার কেয়ার ফাউন্ডেশন (সিসিসিএফ) আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ১১ জন ক্যানসার জয়ীর হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।
সম্মাননাপ্রাপ্ত জয়ীরা হলেন—ডক্টর মারুফী খান, সেলিনা আহমেদ, মো. আবদুল গফফার, ফরিদা ইয়াসমিন, কাজী সুফিয়া আখতার, সিফাত আরেফিন প্রতীক, মনিরা ফারজানা আফরোজ তানিয়া, রায়না মাহমুদ, কানিজ হায়দার, কাজী সুফিয়া আখতার এবং ফারজানা আলী লাবনী। এছাড়া আক্রান্তদের পাশে থাকায় সাংবাদিক জান্নাতুন ফেরদৌস মানুকে বিশেষ সম্মাননা এবং সহায়তাকারী স্বেচ্ছাসেবকদের সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।
সিসিসিএফ-এর প্রেসিডেন্ট রোকশানা আফরোজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অনকোলজি ক্লাব বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ডা. এম. এ হাই প্রধান অতিথি এবং জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. হালিদা হানুম আক্তার ও চিকিৎসা বিজ্ঞানী অধ্যাপক ডা. লিয়াকত আলী বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সিসিসিএফ-এর লক্ষ্য ও কার্যক্রম তুলে ধরেন ডা. এস এম শহীদুল্লাহ এবং অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক জাহান-ই-গুলশান শাপলা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. এম. এ হাই বলেন, আর্থিক অনটনে অনেকেই দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা মাঝপথে ছেড়ে দিতে বাধ্য হন। এই দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া রোগীদের প্রতি আমাদের বিশেষ দৃষ্টি দিতে হবে।
বিশেষ অতিথি ডা. হালিদা হানুম আক্তার বলেন, আমি তাদের বেঁচে ফেরা মানুষ নয়, 'বিজয়ী' বলতে চাই। প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ নির্ণয় ও সচেতনতা বৃদ্ধিই ক্যান্সার মোকাবিলার চাবিকাঠি।
অধ্যাপক ডা. লিয়াকত আলী আক্রান্তদের মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকারি উদ্যোগের সঙ্গে সামাজিক কাজের সমন্বয়ের ওপর জোর দেন।
অনুষ্ঠানে ক্যানসার জয়ীরা তাদের কঠিন লড়াইয়ের আবেগঘন গল্প তুলে ধরেন। ২০২৩ সালে যাত্রা শুরু করা নিবন্ধিত অলাভজনক সামাজিক প্রতিষ্ঠান সিসিসিএফ দীর্ঘদিন ধরে ক্যানসার আক্রান্ত ও তাদের পরিবারকে তথ্য ও মানসিক স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে আসছে।









