বৈষম্যের দেয়াল ভেঙে ঘুরে দাঁড়ানোর এক কঠিন লড়াই

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
১৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯:২৫ আপডেট : ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯:২৫

২০১৩ সালে বাংলাদেশ সরকার হিজড়া জনগোষ্ঠীকে তৃতীয় লিঙ্গ হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিয়েছে। জাতীয় পরিচয়পত্র, ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তি আর ভাতার ব্যবস্থাও হয়েছে। কিন্তু এক দশক পরেও সেই স্বীকৃতি যেন কাগজে-কলমেই আটকে আছে। কয়েকজন হিজড়া জনগোষ্ঠীর সদস্যের সাথে কথা বলে মিললো একই অভিযোগ— শিক্ষা, কর্মসংস্থান, আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা থেকে সামাজিক নিরাপত্তা সর্বত্রই অদৃশ্য দেয়াল। তারা মূল ধারায় মিশে যেতে চান, কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন চিত্র দেখাচ্ছে তাদের। হিজড়াকে বৃহত্তর অর্থে ট্রান্সজেন্ডার ধারণার মধ্যে ফেলা হয়, কিন্তু সকল ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তি হিজড়া নন। একজন হিজড়া ব্যক্তি তার সাংস্কৃতিক পরিচয়টিকেই প্রাধান্য দিতে পারেন, আর একজন ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তি তার ব্যক্তিগত লিঙ্গ-পরিচয়টিকে প্রাধান্য দেন।

প্রত্যাখ্যানের মেঘ কেটে ‘স্বপ্ন’-এর আঙ্গিনায় রোহান

টাঙ্গাইলের মধুপুর থেকে পরিবারের সাথে ঢাকার মোহাম্মদপুরে আসা রোহান একজন ট্রান্সজেন্ডার তরুণ। মোহাম্মদপুরের একটি কলেজের শিক্ষার্থী, দুই ভাই এক বোনের মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। পড়াশোনার খরচ আর সংসারের টানাপোড়েনে ভরসা হতে চেয়েছিলেন।

কিন্তু চাকরির বাজারে পা রাখতেই সামনে দাঁড়ায় বৈষম্যের দেয়াল। রোহানের ভাষ্যে, আমি অনেক জায়গায় চাকরির জন্য চেষ্টা করেছি। শুধু আমার মেয়েলি আচরণের কারণে অনেক জায়গায় আমাকে চাকরি দেওয়া হয়নি। বারবার প্রত্যাখ্যাত হয়ে ভবিষ্যৎ নিয়ে অন্ধকারে তলিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। তখনই আশার আলো হয়ে আসে বেসরকারি সংস্থা আশা সোসাইটির ‘উই ক্যান’ প্রজেক্ট।

২০০৪ সাল থেকে নারী নির্যাতন প্রতিরোধ, জেন্ডার সমতা ও দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনে কাজ করা এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য বৈষম্যহীন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ তৈরি করা। এই প্রকল্পের ‘ওয়ার্কপ্লেস ইক্যুইটি’ প্রোগ্রাম বদলে দেয় রোহানের ভাবনা। কীভাবে পেশাদার প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করতে হয়, দায়িত্ব পালন, সহকর্মীদের সাথে সম্পর্ক এবং প্রতিকূলতায় টিকে থাকার কৌশল শেখেন তিনি।

সেই আত্মবিশ্বাস নিয়ে আবার চেষ্টা, আর এবার সফলতা। চাকরি হয় দেশের শীর্ষ বিপণিবিতান ‘স্বপ্ন সুপার শপ’-এ। এখন ক্লাস শেষে স্বপ্নতেই কাজ করেন রোহান। নিজের পড়াশোনা ও ব্যক্তিগত খরচ নিজেই চালান, পাশাপাশি পরিবারেও রাখছেন ভূমিকা। রোহান বলেন, উই ক্যান প্রজেক্টের বিভিন্ন প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করে আমি বুঝতে পেরেছি, কর্মক্ষেত্রে কীভাবে নিজেকে প্রস্তুত করতে হয় এবং কীভাবে টিকে থাকতে হয়। এখন আমি স্বপ্ন সুপার শপে কাজ করছি। রোহানের এই পথচলা কেবল একটি চাকরির গল্প নয়; এটি বৈষম্যের শেকল ভেঙে আত্মনির্ভরতায় রূপান্তরের দৃষ্টান্ত।

ভাঙা স্বপ্নের ভিড়ে সানীর আত্মমর্যাদার খোঁজ সানীর লড়াই আরও করুণ। মাত্র এসএসসি পাসের পর নিজের লিঙ্গ পরিচয়ের কারণে পরিবার ও সমাজের অবহেলার মুখে পড়েন। হিজড়া হওয়ার অপরাধে ১৫ বছর বয়সেই ছাড়তে হয় ঘর। বাড়ি ছাড়ার পর এক বছর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের দুয়ারে ঘুরেছেন জীবিকার জন্য। কোথাও মেলেনি সহানুভূতি। বাধ্য হয়ে ২০১৭ সাল থেকে ‘হিজড়াগিরি’কে উপার্জনের পথ হিসেবে বেছে নিতে হয়।

তবুও স্বপ্ন দেখা থামাননি সানী। ইতোমধ্যে তিনি বিউটি পার্লারের কাজে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, সেলাই ও টেইলারিংয়েও পারদর্শী। লক্ষ্য একটাই— একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে সম্মানজনক পেশায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা।

কাগজের স্বীকৃতি বনাম বাস্তবতার দেয়াল

রোহান-সানীর মতো অসংখ্য মানুষের গল্প একই সুতোয় গাঁথা। মাঠ পর্যায়ে কথা বলে উঠে এসেছে তিনটি বড় চ্যালেঞ্জ। একটি হচ্ছে শিক্ষা ও কর্মসংস্থানে বাধা। অধিকাংশ হিজড়া শিশু স্কুলে ভর্তি হলেও বুলিং ও হয়রানির কারণে ঝরে পড়ে। শিক্ষাগত যোগ্যতার অভাব ও সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে চাকরির বাজারে প্রবেশ কঠিন। সরকারি চাকরিতে কোটা বা বেসরকারি খাতে বিশেষ সুযোগ এখনও সীমিত। ফলে বাধ্য হয়ে অনেককে চাঁদা তোলার মতো অপ্রাতিষ্ঠানিক পেশায় যেতে হয়।

দ্বিতীয়ত, আবাসন ও স্বাস্থ্যসেবা সংকট। বাসা ভাড়া পাওয়া তাদের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। বাড়িওয়ালারা ভাড়া দিতে চান না। ফলে দলবদ্ধভাবে থাকতে হয়, যেখানে নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার অভাব। স্বাস্থ্যসেবাতেও বৈষম্য। হাসপাতালে পুরুষ ওয়ার্ড না মহিলা ওয়ার্ডে যাবেন তা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়, অনেক চিকিৎসকের সচেতনতার অভাব রয়েছে।

সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা ও নিরাপত্তা নিয়েও আছে উদ্বেগ। এছাড়া পরিবার ও সমাজ থেকে বিচ্ছিন্নতার গল্প প্রায় সবার। রাস্তাঘাটে কটূক্তি, হয়রানি ও সহিংসতা নিয়মিত ঘটনা। সামাজিক বিধিনিষেধ, মূল্যবোধ ও ডাক্তারি নিরীক্ষা জটিলতার কারণে অনেক হিজড়াই নিজেদের সরকারিভাবে নথিভুক্ত করেনি। এছাড়া সএমন অনেকে রয়েছে যারা সমাজে নারী বা পুরুষ পরিচয়ে জীবনযাপন করলেও নিজেদের হিজড়া হিসেবে প্রকাশ করতে চায় না। কারণ, অনেকেই হিজড়াদের ‘অভিশপ্ত’, ‘অস্বাভাবিক’ এবং ‘বিকৃত শরীর ও মনের মানুষ’ হিসেবে দেখে।

হিজড়া জনগোষ্ঠীর সদস্যরা এখনো পরিবারের মধ্যেই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হন। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সচেতনতার অভাব, সামাজিক লজ্জা ও নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কায় অনেক হিজড়া ব্যক্তিকে কৈশোরেই বাড়ি ছাড়তে হয় এবং শিক্ষা ও উত্তরাধিকারসহ মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হতে হয়। ফলে গুরু মায়ের নেতৃত্বে ডেরা-ভিত্তিক জীবনই তাদের বিকল্প পরিবার হয়ে ওঠে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, পারিবারিক গ্রহণযোগ্যতা ও সম্পত্তিতে ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত হলে এই জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন ও মূলধারায় অন্তর্ভুক্তি অনেক সহজ হবে।

সমাজকল্যাণ অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, ভাতা, প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের কিছু প্রকল্প চলমান আছে। বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থাও দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করছে।

তবে মাঠ পর্যায়ে এর সুফল সীমিত। সমাজসেবা অধিদফতরের জরিপমতে বাংলাদেশে হিজড়ার সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার। বাংলাদেশে হিজড়াদের প্রকৃত সংখ্যা নিয়ে রয়েছে অস্পষ্টতা। সমাজকল্যাণ অধিদফতরের ২০১৩ সালের হিসাব অনুযায়ী দেশে সরকারিভাবে নথিভুক্ত হিজড়া সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার, তবে বেসরকারি হিসেবে হিজড়াদের প্রকৃত সংখ্যা কয়েক লাখ।

সংশ্লিষ্টদের মতে, শুধু ভাতা বা পরিচয়পত্র নয়, প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ। প্রতিষ্ঠানের মনোজগৎ বদলাতে হবে। প্রতিষ্ঠান যদি মনে করে তার কর্মক্ষেত্র একজন ট্রান্সজেন্ডারের উপযোগী হবে এবং তাকে অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা দেওয়া কর্তব্য, তবেই প্রথম ধাপের সমস্যা থেকে মুক্তি সম্ভব। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ, কর্মক্ষেত্রে বৈষম্য-বিরোধী নীতি এবং স্বাস্থ্যখাতে আলাদা প্রোটোকল তৈরি করা গেলে এই জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নত করা সম্ভব।

পারিবারিক ও সামাজিক চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে হিজড়া জনগোষ্ঠীর সদস্য কণা আক্তার বলেন, ‘আমাদের চ্যালেঞ্জটা অনেক বেশি। যেখানে সাধারণ নারীরাই এখনো পুরো অধিকার পায়নি, সেখানে আমাদের লড়াই আরও কঠিন।’

কর্মক্ষেত্রে বৈষম্যের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘কোথাও কাজের জন্য গেলে অন্য চোখে দেখা হয়। চাকরি পেলেও একদিন, দুইদিন, এক সপ্তাহ বা এক মাস পর সহকর্মীরা ট্রোল করে, ফাজলামি করে। শেষ পর্যন্ত ওই জায়গা থেকে আমাদের বের করে দেওয়া হয়।’

চিকিৎসা ক্ষেত্রেও একই অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘শুধু কর্মক্ষেত্রে নয়, চিকিৎসা নিতে গেলেও ট্রোলের শিকার হতে হয়, প্রায়োরিটি দেওয়া হয় না। অথচ আমরা তো এই দেশেরই নাগরিক। নাগরিক হিসেবে যে অধিকার পাওয়ার কথা, সেগুলোই আমরা পাই না।’

নিজের উদ্যোগ প্রসঙ্গে কণা আক্তার বলেন, ‘আমাদের মধ্যে এখন অনেকেই শিক্ষিত, পড়াশোনা করছে। কেউ আগের আদি পেশায় যেতে চায় না। সবাই নিজের মতো করে কিছু করতে চায়। আমি নিজে প্রায় ১০-১২ বছর ধরে একটি পার্লার চালাচ্ছি। এখন পার্লারের পাশাপাশি বাড়িতে গরু, হাঁস, মুরগি, কবুতর নিয়ে ছোট একটি সম্মিলিত খামার শুরু করেছি।’

পারিবারিক সংগ্রামের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বর্তমান এই জায়গাটা এমনি এমনি তৈরি হয়নি। শুরুতে পরিবারের সাপোর্ট পাইনি। পরিবারের সাথে অনেকবার বসতে হয়েছে, এলাকার মানুষকে বোঝাতে হয়েছে, থানা-পুলিশ পর্যন্ত করতে হয়েছে। তারপর ধীরে ধীরে পরিবারে একটা জায়গা তৈরি করতে পেরেছি। কিন্তু আমি হাল ছাড়িনি।’

সবশেষে সমাজের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা অন্য কিছু না, অন্য গ্রহের বা অন্য দেশের মানুষ না। আমরা এই দেশেরই মানুষ, আপনাদেরই ভাই-বোন। সমাজের মানুষ যদি ট্রোল করা বন্ধ করে আমাদের উৎসাহ দেয়, খারাপ দিকটা না দেখে ভালো দিকটা দেখে, তাহলে আমরাও ঘুরে দাঁড়াতে পারবো। মূল স্রোতের সাথে মিশে যেতে পারবো। শুধু আমাদের সেই সুযোগটা দিতে হবে।’

হিজড়া সমাজকর্মী বাবুনি বলেন, ‘‘ছোটবেলায় প্রথম বুলিংটা পরিবার থেকেই শুরু হয়। ভাই-বোনেরা বলতো, ‘ও গেলে আমি যাবো না।’ শুধু আচরণগত ভিন্নতার কারণে আমাদের অনেকের বোনের বিয়েও ভেঙে যায়। বিয়ের সময় আমাদের আলাদা ঘরে আটকে রাখা হয়।’’

স্কুলের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘স্কুলেও একই ঘটনা ঘটে। সহপাঠীরা বুলিং করলে স্যার-ম্যাডামদের কাছে বিচার নিয়ে গেলে তারা বলতেন, ঠিকই করছে। তুমি ছেলে হয়ে মেয়েদের মতো আচরণ করো কেন। এটা যে ইচ্ছাকৃত নয়, জন্মগত, সেটা কেউ বুঝতে চায় না।’

পরিবার ছাড়ার কারণ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘যখন বুঝলাম আমার কারণে বোনের বিয়ে হচ্ছে না, ভাইরা বন্ধুদের কাছে কথা শুনছে, বাবা-মা মুখ দেখাতে পারছে না, তখনমস নিজের পরিবারের সম্মান বাঁচাতে নিজেই ঘর ছেড়ে দেই।’

কর্মসংস্থানের সংকট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ঘর ছাড়ার পর থাকার জায়গা ও চাকরি দরকার হয়। তখন বাধ্য হয়ে গুরুর কাছে যেতে হয়। কিন্তু গুরুর কাছেও যাওয়ার আগে আমরা অনেক চাকরির চেষ্টা করি। গার্মেন্টসে গেলে বলে, তোমাকে রাখলে প্রোডাকশন লস হবে। যেখানে লেখা থাকে লোক নেওয়া হচ্ছে, সেখানেও চেহারা দেখে বলে চাকরি নেই। চাকরি না পেয়ে বাধ্য হয়ে কালেকশনে যেতে হয়। কারো শখ হয় না খাবারের জন্য মানুষের কথা শোনার ‘

তিনি আরও বলেন, ‘ছোটবেলা থেকে বাজে ব্যবহার পেতে পেতে আমরা একসময় উগ্র হয়ে যাই। আমাদের পারিবারিক শিক্ষা নেই, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাও নেই। বিগত সরকারের আমলে প্রতিষ্ঠান হিজড়া নিয়োগ দিলে ভ্যাট-ট্যাক্স মওকুফ হতো। তখন ভ্যাট দেওয়ার সময় হলে এক-দুই মাসের জন্য নিয়োগ দেখিয়ে পরে বাহানা দিয়ে বের করে দিতো। এখন তিন মাসে ১৮০০ টাকা ভাতা দেয়, মাসে ৬০০ টাকা। এটা দিয়ে কী হয়?’

সমাধানের পথ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সাধারণ মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে হবে। পরিবারে প্রতিবন্ধী সন্তান হলে ফেলে দেয় না, কিন্তু হিজড়া সন্তান হলে বলে জাত গেল। তাই ফ্যামিলি কাউন্সেলিং বাড়াতে হবে। যারা পরিবারের সাথে আছে, তাদের পজিটিভ উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরতে হবে। স্কুলে কাউন্সেলিং করতে হবে। যদি পরিবার সন্তানকে ঘরে রেখে পড়াশোনা করালে ফ্যামিলি কার্ড বা বিশেষ প্রণোদনা পায়, তাহলে আর কেউ সন্তানকে বের করে দেবে না। সরকারের সুদৃষ্টি থাকলে আমাদের সমস্যার অর্ধেকটাই কমে যাবে।’

/এপিএইচ/
সম্পর্কিত
হিজড়া নেত্রীর ঘরে ৩ ঘণ্টা অবস্থান করা সেই যুবককে খুঁজছে পুলিশ
হিজড়াদের ‘গুরুমা’ মৌসুমীর লাশ উদ্ধার, হত্যা করলো কারা?
তৃতীয় লিঙ্গের এক ব্যক্তিকে পুড়িয়ে হত্যা, প্রধান আসামি গ্রেফতার
সর্বশেষ খবর
‘বাংলাদেশে আর কোনও মন্তব্য করতে চাই না, আমি দুঃখিত’
‘বাংলাদেশে আর কোনও মন্তব্য করতে চাই না, আমি দুঃখিত’
জেনারেটর বিস্ফোরণে সাভারে মার্কেটে আগুন, পুড়েছে আটটি জেনারেটর
জেনারেটর বিস্ফোরণে সাভারে মার্কেটে আগুন, পুড়েছে আটটি জেনারেটর
আল-আমিনের পথ ধরে এবার লেকক, এক ওভারে পাঁচ উইকেটের কীর্তি
আল-আমিনের পথ ধরে এবার লেকক, এক ওভারে পাঁচ উইকেটের কীর্তি
এনসিপির পুনর্গঠন যেকোনও সময়, বিলুপ্ত হচ্ছে মুখ্য সমন্বয়কসহ একাধিক পদ
এনসিপির পুনর্গঠন যেকোনও সময়, বিলুপ্ত হচ্ছে মুখ্য সমন্বয়কসহ একাধিক পদ
সর্বাধিক পঠিত
অবশেষে সনদ পেলেন ‘ম্যাডামের মেসেজে হা হা’ দেওয়া সেই শিক্ষার্থী
অবশেষে সনদ পেলেন ‘ম্যাডামের মেসেজে হা হা’ দেওয়া সেই শিক্ষার্থী
হিজাব নিষেধাজ্ঞা নিয়ে তুরস্ক-আজারবাইজান সম্পর্কে টানাপোড়েন
হিজাব নিষেধাজ্ঞা নিয়ে তুরস্ক-আজারবাইজান সম্পর্কে টানাপোড়েন
২০ কোটি ডলারের রাজকীয় প্রকল্প এখন নির্জন ভৌতিক শহর
২০ কোটি ডলারের রাজকীয় প্রকল্প এখন নির্জন ভৌতিক শহর
বাংলাদেশের পারমাণবিক বিদ্যুৎ খাতে পরাশক্তির নজর 
বাংলাদেশের পারমাণবিক বিদ্যুৎ খাতে পরাশক্তির নজর 
মহানবী (সা.)-কে নিয়ে ফেসবুকে মন্তব্য: শ্রীলঙ্কান নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড বাতিল করলো সৌদি
মহানবী (সা.)-কে নিয়ে ফেসবুকে মন্তব্য: শ্রীলঙ্কান নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড বাতিল করলো সৌদি