প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সঙ্গে মালয়েশিয়ার এফডব্লিউএমএস’এ তালিকাভুক্ত রিক্রুটিং এজেন্সির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ নম্ভেম্বর) বিকালে প্রবাসী কল্যাণ ভবনের ‘বিজয় ৭১’ হলে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে রিক্রুটিং এজেন্সির কাছে মন্ত্রী মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতে ব্যয় কত হতে পারে সেটার প্রস্তাবনা চান।
বৈঠকে রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকরা তাদের নানা সমস্যার কথা তুলে ধরেন। এসময় তিনি ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন করলে একজন এজেন্সির মালিক জানান, আড়াই থেকে ৩ লাখ টাকা হলে তারা কর্মী পাঠাতে পারবেন। তবে সুযোগ থাকলে সেটি বাড়িয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেন তিনি।
এসময় মন্ত্রী বলেন, ‘‘এই যে একটা সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব পেলাম আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা। এটা শুনলে সারা দেশের মানুষের মধ্যে একটা আস্থা আসবে যে, না আমার ছেলের জন্য জমি বিক্রি করতে না,গরু বিক্রি করতেও হবে না। তাহলে আমরাও সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করবো।’’
এসময় ব্যবসায়ীরা দ্রুত মালয়েশিয়ার লোক পাঠাতে মেডিক্যাল চালুর ঘোষণা জানানোর দাবি জানান রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকরা।
রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোকে অস্বাভাবিক মুনাফা না করে সহনীয় মাত্রায় মুনাফা করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘‘আমরা যতই এখানে একটা ব্যয় অনেক ক্ষেত্রে চাপিয়ে দেই, আপনাদের এই সব ভিসা প্রসেস করতে আপনাদের পয়সা খরচ হয়, এটা আমরা জানি। আপনাদের একটা অফিস চালাতে হয়, আপনাদের ম্যানপাওয়ার আছে। সেখানে আপনারা প্রোফিট করবেন, সেটা স্বাভাবিক। কিন্তু সেটা একটা স্বাভাবিক এবং সহনীয় মাত্রায় প্রফিট করেন, অস্বাভাবিক মাত্রায় না।’’
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারের অভিবাসন ব্যয় নির্ধারণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘আজকে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারের ক্ষেত্রে ব্যয় কী রকম হতে পারে? মন্ত্রী মহোদয় আপনাদের কাছে একটা অপিনিয়ন চেয়েছেন, আপনারা অনেকেই বলেছেন। এটা নিয়ে আমরা অফিশিয়ালি বসবো। তারপর আমরা চিন্তা করবো, এটা কতটুকু নির্ধারণ করা যায়।’’