কুকুর নিধনের পক্ষে মানববন্ধন

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
০২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৮:৩৭আপডেট : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২২:২৫

কুকুর নিধনের পক্ষে মানববন্ধন বেওয়ারিশ কুকুর নিধনের পক্ষে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) নগর ভবনের সামনে মানবন্ধন হয়েছে। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এই মানববন্ধন শেষে মেয়র বরাবর স্মারক লিপি দেওয়া হয়। এরআগে, ডিএসসিসি ৩০ হাজার বেওয়ারিশ কুকুর নিধন বা হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নেয়। ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে গত ২৯ আগস্ট কর্মসূচি পালন করে সামাজিক সংগঠন ও কুকুরপ্রেমীরা

অন্যদিকে কুকুর নিধনের দাবিতে স্মারক লিপিতে বলা হয়েছে, ‘শহরজুড়ে বেওয়ারিশ কুকুরের উৎপাত, কামড় ও যন্ত্রনায় অতিষ্ঠ হয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটির নগরবাসী বেওয়ারিশ কুকুর নিধন বা স্থানান্তর করার দাবি জানাচ্ছে। বর্তমানে ঢাকা নগরীতে বেওয়ারিশ কুকুরের মাত্রাতিরিক্ত আধিক্য সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন অলি-গলিতে ২০ থেকে ৩০টি পর্যন্ত কুকুর দল দখল করে নিয়েছে। যা অত্যন্ত ভীতিকর বিষয় বটে। উক্ত কুকুরের দল পথচারী দেখলে আক্রমণ করে, কামড়ে আহত করে। বিশেষ করে রাতের বেলায় বা ভোরে নামাজের সময় মুসল্লিদের ওপর আক্রমণ নিত্ত-নৈমিত্তিক ঘটনা।’

এতে আরও বলা হয়, ‘অতি সম্প্রতি ডিএসসিসি মেয়র ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন থেকে ৩০ হাজার বেওয়ারিশ কুকুর নিধন বা স্থানান্তরের ঘোষণা দিয়ে খুব সময়োপযোগী ও জনদরদী পদক্ষপ নিয়েছেন। যদিও কিছু স্বার্থান্বেষী বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) প্রাণিপ্রেমের নাম দিয়ে মেয়রের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করছে বলে আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। আমরা উক্ত গোষ্ঠীর এমন কাজে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।’

কুকুর নিধনের পক্ষে মানববন্ধন মানববন্ধনে বক্তরা বলেন, ‘শহর বা নগর তৈরি হয়েছে জনগণের বসবাসের জন্য, প্রাণিদের জন্য নয়। প্রাণিদের নিরাপদ বসবাসের স্থান বনজঙ্গল বা অভয়ারণ্য, তাদেরকে সেখানে নিরাপদে বেড়ে উঠতে দেওয়াই উত্তম। প্রাণিপ্রেমীদের যদি কুকুরের প্রতি এতই ভালোবাসা থাকে, তবে তারা সে কুকুরগুলো নিজ বাসায় নিয়ে রাখলেই পারে।’

মানববন্ধনের উদ্যোক্তা এমডি জিয়াউল হক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা কুকুর নিধনের পক্ষে নয়, আমরা কুকুরের অত্যাচার বা যন্ত্রণা থেকে মুক্তি চাই। এর কারণে মানুষ নিত্যদিনের কাজে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তাই একে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা হোক।’

আরও পড়ুন: পথকুকুর নিধনের বিরুদ্ধে দেয়ালচিত্রে অভিনব প্রতিবাদ

/এসএস/এনএস/
সম্পর্কিত
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
কদমতলীতে ইন্টারনেট সার্ভিসের ৩ কর্মীকে মারধর
মেঘলা আকাশ আর বৃষ্টির পূর্বাভাস ঢাকায়, কমতে পারে গরম
সর্বশেষ খবর
বিশ্ব অর্থনীতির সামনে দুই কঠিন পথ, নেপথ্যে ইরান যুদ্ধ ও এআই সংকট
বিশ্ব অর্থনীতির সামনে দুই কঠিন পথ, নেপথ্যে ইরান যুদ্ধ ও এআই সংকট
এবার পল্লবীতে মিললো আরেক নারীর গলিত মরদেহ
এবার পল্লবীতে মিললো আরেক নারীর গলিত মরদেহ
নিখোঁজ ব্যবসায়ীর হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার
নিখোঁজ ব্যবসায়ীর হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার
ওপেনএআই’র নতুন বাজি ‘কোডেক্স’
ওপেনএআই’র নতুন বাজি ‘কোডেক্স’
সর্বাধিক পঠিত
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম