লকডাউনে শ্রমজীবী মানুষের জন্য রেশনের ব্যবস্থা, শ্রমজীবী মানুষদের কোনও ধরনের হেনস্তা না করা ও রোগীর জরুরী অক্সিজেন সেবা নিশ্চিত করার দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন।
রবিবার(৪ জুলাই) দুপুর একটায় রাজধানীর পুরানা পল্টন মোড়ে এ বিক্ষোভ সমাবেশ করে সংগঠনটি।
সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে ছাত্র ইউনিয়ন(মূল অংশের) সভাপতি ফয়েজ উল্লাহ বলেন, “শ্রমজীবী মানুষদের খাদ্য সহায়তা নিশ্চিত না করে লকডাউনের ঘোষণা কোন সুফল বয়ে আনছে না। গার্মেন্টস খোলা আছে কিন্তু যানবাহন চলছে না। এটি অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত। শ্রমিকেরা হেঁটে কর্মস্থলে যাচ্ছেন। রাষ্ট্রের অমানবিক চিত্র আমাদের সামনে ফুটে উঠছে। লকডাউনের সুফল পেতে অবিলম্বে সকল শ্রমজীবী মানুষকে রেশনিংয়ের আওতায় আনতে হবে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে সকল নাগরিকের জন্য টিকার ব্যবস্থা করতে হবে। হাসপাতালগুলোতে অক্সিজেন সংকটসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাব দেখা দিয়েছে। দ্রুত এসবের ব্যবস্থা করতে হবে।
এসময় তিনি সাতক্ষীরা হাসপাতালে অক্সিজেনের সংকটের কারণে রোগীর মৃত্যুর কথা উল্লেখ করে আরও বলেন, " কার গাফিলতির কারণে এতো মানুষের প্রাণ গেল তার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। রাজশাহীতে একজন কলেজ শিক্ষকের হাত ভেঙ্গে দিয়েছে ম্যাজিস্ট্রেট, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হয়ে একজন নাগরিককে আঘাত করার স্পর্ধা দেখিয়েছেন এই ম্যাজিস্ট্রেট। অবিলম্বে সেই ম্যাজিস্ট্রেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। টিকা নিয়ে ব্যবসা করা প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। লকডাউনে যেসব শ্রমজীবী মানুষ পেটের দায়ে রাস্তায় নামছেন তাদেরকে কোনভাবেই হেনস্তা করা যাবে না। কোন নাগরিককে হেনস্তা করার অধিকার রাষ্ট্রের নেই।
এসময় সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক দীপক শীলের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় সংসদের সদস্য জিকে সাদিক।








