রাজধানী ছেড়ে যারা বিভিন্ন প্রয়োজনে বাইরে যাচ্ছেন তাদের পড়তে হচ্ছে পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে। গাবতলী চেকপোস্টে পুলিশ সদস্যরা প্রতিটি গাড়িকে এবং যাত্রীদের তাদের গন্তব্য সম্পর্কে জানতে চাইছেন। জরুরি প্রয়োজন রয়েছে- এমন বিষয়টি যারা প্রমাণ করতে পারছেন তারা যেতে পারছেন। তবে রাজধানীতে ঢুকতে গাবতলী চেকপোস্টে অনেকটাই দেখা গেছে ঢিলেঢালা। গাড়িগুলো নগরে ঢোকার সময় ছিল না তেমন কোনও তৎপরতা।
শনিবার (১০ জুলাই) রাজধানীর গাবতলী চেকপোস্টে ঘুরে দেখা যায়, অন্যান্য দিনের তুলনায় প্রাইভেট কার, মাইক্রো বাস, মোটরবাইক চলাচল রয়েছে বেশি। যে যার মত গন্তব্যে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও গাড়িগুলোকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।
রাজধানী থেকে বের হওয়ার গাবতলী চেকপোস্টে দায়িত্বরত ট্রাফিক সার্জেন্ট আবু সুফিয়ান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, অনেকেই নানা প্রয়োজনে রাজধানী থেকে বিভিন্ন জায়গায় যাচ্ছে। আবার অনেকে রাজধানীর আশপাশে যেমন সাভার, ধামরাই, মানিকগঞ্জ গার্মেন্টস সংশ্লিষ্ট রয়েছে- এরকম জায়গায় যাচ্ছেন। যাদের অযৌক্তিক মনে হয়েছে তাদেরকে ঘুরিয়ে দিচ্ছি এবং মামলাও দেওয়া হচ্ছে।
অন্যদিকে আমিনবাজার ব্রিজ পার হয়ে গাবতলীতে পুলিশি চেকপোস্টে দুপুরের দিকে দেখা গেছে, চেকপোস্টের পাশে অবস্থান করছে পুলিশ সদস্যরা। গাড়ি আসলেই সেসব গাড়িকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। রাজধানীতে ঢোকার কারণ সম্পর্কে তারা জানতে চাইছেন। তবে, অনেক গাড়িকেই জিজ্ঞাসাবাদ না করে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে দায়িত্বরত ট্রাফিক সার্জেন্ট ফাহিদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আমি কিছুক্ষণ আগে এসেছি। আজ গাড়ির চাপ রয়েছে কিনা বা কী অবস্থা আমি এখনো বলতে পারছি না। তবে যে কয়েকটি গাড়িকে আমি জিজ্ঞাসাবাদ করেছি, সেগুলো তাদের প্রয়োজনীয়তা এবং প্রয়োজনীয় যৌক্তিক কারণ দেখাতে পারছে বলেই তাদেরকে যেতে দেওয়া হচ্ছে।








