উর্দুভাষী জনগোষ্ঠীর মর্যাদাপূর্ণ পুনর্বাসনসহ ৬ দফা দাবি

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
৩১ অক্টোবর ২০২১, ১৮:০৪আপডেট : ৩১ অক্টোবর ২০২১, ১৮:০৪

সারা দেশের ১১৬টি ক্যাম্পে বসবাসরত উর্দুভাষী বাংলাদেশিদের মানবিক কারণে মর্যাদাপূর্ণ স্থায়ী পুনর্বাসন এবং পুনর্বাসনের আগে ক্যাম্প এলাকায় সকল প্রকার উচ্ছেদ অভিযান বন্ধ রাখসহ ৬ দফা দাবি জানিয়েছে “উর্দুস্পিকিং পিপলস্ ইয়ুথ রিহ্যাবিলিটেশন মুভমেন্ট"।

রবিবার (৩১ অক্টোবর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সাধারণ সম্পাদক শাহেদ আলি বাবুল বলেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পরবর্তী সময় উর্দুভাষী সংখ্যালঘুরা আন্তর্জাতিক রেডক্রস সোসাইটির সহযোগিতায় বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নির্মিত সারা দেশের ১১৬টি ক্যাম্পে মানবেতর জীবনযাপন করে আসছে। তারা দেশের নাগরিক হলেও অন্যান্য নাগরিকদের মতো নাগরিক সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারছে না।

তিনি বলেন, চলতি বছরের ২১, ২২ ও ২৩ জানুয়ারি মিরপুর সেকশন-১১, এভিনিউ-৩ এবং ৪ এ উর্দুভাষীদের বিকল্প ব্যবস্থা না করে উচ্ছেদ করা হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে নারায়ণগঞ্জের কুমুদিনী বাগান ও কোম্পানি বাগান ক্যাম্পে প্রায় ৪০০ উর্দুভাষী পরিবারকেও বিকল্প ব্যবস্থা না করে উচ্ছেদ করা হয়েছে। একইভাবে সারা দেশের ১১৬টি ক্যাম্পে বসবাসরত উর্দুভাষীরা উচ্ছেদ আতংকে বসবাস করছে।

তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে এখন পর্যন্ত কোনও সরকার উর্দুভাষীদের পুনর্বাসনের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। তাই আমরা মনে করি, উর্দুভাষী সংখ্যালঘুদের পক্ষে সরকারের কাছে নিজেদের অবস্থান ও দাবিগুলো তুলে ধরা অত্যন্ত জরুরি।

তাদের অন্যান্য দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে - উর্দুভাষী বাংলাদেশিদের পুনর্বাসনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া নির্দেশনা দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। যেহেতু উর্দুভাষীরা বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়পত্রধারী নাগরিক সেজন্য তাদের আটকেপড়া পাকিস্তানি অথবা অন্য কোনও নামে অভিহিত করা যাবে না, তাদের পরিবারের একজনকে চাকরির ব্যবস্থা করে দিতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা।

/জেডএ/এমএস/
সম্পর্কিত
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
কদমতলীতে ইন্টারনেট সার্ভিসের ৩ কর্মীকে মারধর
মেঘলা আকাশ আর বৃষ্টির পূর্বাভাস ঢাকায়, কমতে পারে গরম
সর্বশেষ খবর
৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারে দিতে হবে না বাড়তি দাম
৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারে দিতে হবে না বাড়তি দাম
শেষ মুহূর্তেও একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলেন তারা
শেষ মুহূর্তেও একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলেন তারা
ছোট ছেলে শ্বশুরবাড়ি, বড় ছেলের ঘরের মেঝে খুঁড়ে মায়ের লাশ উদ্ধার
ছোট ছেলে শ্বশুরবাড়ি, বড় ছেলের ঘরের মেঝে খুঁড়ে মায়ের লাশ উদ্ধার
‘শাহজালালে হাজিদের লাগেজ কেটে চুরির অভিযোগ সঠিক নয়’
‘শাহজালালে হাজিদের লাগেজ কেটে চুরির অভিযোগ সঠিক নয়’
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের