বাল্যবিয়ের বিরুদ্ধে নিয়ে তৎপর থাকলেও নিজের বাল্যবিবাহ ঠেকাতে পারেনি তখনকার সময়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী আদুরি আক্তার। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নিজের অভিজ্ঞতা জানাতে গিয়ে এ কথা জানায় সে।
সোমবার ( ১৩ ডিসেম্বর) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানাতে গিয়ে আদুরি বলে, দশম শ্রেণিতে ওঠার পরপরই জোর করে আমাকে বিয়ে দেওয়া হয়। প্রায় আড়াই লাখ টাকা যৌতুকের বিনিময়ে এ বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়, যা ছিল বাল্যবিবাহ। ৪০ বয়সী স্বামীর সঙ্গে বিয়ের পর শুরু হয় শারীরিক ও মানসিক দূরত্ব। এই সম্পর্ক হয়ে ওঠে বিভীষিকাময়।
নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার পাইকার পাড়া গ্রামের মেয়ে আদুরি আক্তার অভিজ্ঞতা জানাতে গিয়ে আরও বলেন, চলতি বছরের মার্চে তালাক হয়ে যায়। তালাক হলেও কোনও দেনমোহর দেওয়া হয়নি। তবে এতে আমার দুঃখ নেই। বাল্যবিবাহ ও শারীরিক নির্যাতন থেকে বের হতে পেরেছি তাতেই আমি খুশি। আমি নিজের পায়ে দাঁড়াতে চাই। বন্দি জীবন থেকে ফিরে আবার স্কুলে যেতে পারছি এখন। আগামী বছর এসএসসি পরীক্ষা দিতে পারবো ইনশাআল্লাহ। আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন।









