চালক নয় বরং মালিকদের কাছে যাত্রীরা জিম্মি বলে দাবি করেছেন সিএনজি অটোরিকশার চালকরা। তারা বলেছেন, বিআরটিএ কর্তৃপক্ষের একতরফা নির্দেশ অনুযায়ী এ ক্ষুদ্র যানটির দৈনিক জমা ৯০০ টাকা করা হয়েছে। বাস্তবে মালিকরা এর চেয়েও অধিক হারে জমা নিয়ে থাকেন। শুধু তাই নয়, অনেক ক্ষেত্রে গাড়ির গ্যারেজ ভাড়া দিতে হয় চালককেই।
শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ঢাকা মহানগর সিএনজি অটোরিকশা চালক ঐক্য পরিষদ আয়োজিত মানববন্ধনে সিএনজি চালকরা এসব কথা বলেন।
তারা বলেন, মালিকেরা করোনাকালেও দুই বার জমার টাকা বাড়িয়েছেন। আমরা প্রতিদিন ১৫০০ টাকা ঋণের বোঝা নিয়ে যাত্রা শুরু করি। তাও আমরা আড়াই টাকা মিনিটে গাড়িটি ভাড়া নিয়ে ভাড়া চালাই। সরকারি হুকুমে বিক্রি করতে হয় ২ টাকা মিনিটে। আমাদেরকে সবসময় একটা বিড়ম্বনার মধ্যে থাকতে হয়। নিয়োগপত্র না থাকায় বছরে তিন-চার বার বেকার হই।
চালকরা অভিযোগ করেন, যাত্রীদের কাছে মিটারের চাইতে ২০ টাকা বাড়িয়ে দেওয়ার আবদার করলে তারা রাজি হলেও, ট্রাফিক সার্জেন্ট যাত্রীদের জেরা করে মিটার থেকে বাড়িয়ে নেওয়ার কথা স্বীকার করায়। আর জবরদস্তিমূলকভাবে ৭০০ থেকে ২০০০ টাকা পর্যন্ত মিটার মামলা দিয়ে দেয়। এই শহরে ইয়েস পার্কিং বলে স্পেস আমরা দেখি না, অথচ নো পার্কিংয়ের মামলা দেওয়া হচ্ছে অহরহ।
এসময় সিএনজি অটোরিকশা চালকরা তাদের সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের দাবি করেন।








