জন্ম নিবন্ধনের জন্য রাজধানীর বালু নদীর তীর ঘেঁষা বেরাইদ এলাকার বাসিন্দাদের কাওরান বাজারে এসে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আঞ্চলিক কার্যালয়ে যেতে হয়। আবার নিবন্ধনে তথ্যগত ভুল থাকলে সেটার সংশোধনে যেতে হয় সদরঘাটে অবস্থিত ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে। এ সমস্যা দূর করতে জন্ম নিবন্ধন সেবা নিজ নিজ এলাকার ওয়ার্ডে স্থানান্তর হতে যাচ্ছে শিগগিরই।
উত্তর সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা যায়, নতুন নিয়মানুযায়ী কাউন্সিলর হতে যাচ্ছেন নিবন্ধক। ওয়ার্ডের সচিব হবেন সহকারী নিবন্ধক। এখন আঞ্চলিক কার্যালয়ে একজন কর্মচারীকে সহকারী নিবন্ধক ও সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তা নিবন্ধকের দায়িত্ব পালন করছেন।
এ বিষয়ে ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জোবায়দুর রহমান বলেন, জন্মনিবন্ধন সেবায় ভোগান্তি দূর করতে অধিদফতরে আবেদন করেছিলাম যাতে সেবাটা আঞ্চলিক কার্যালয় হতে ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়। পরে স্থানীয় সরকার মন্ত্রীও এ ব্যাপারে সম্মত হন।’
তিনি আরও বলেন, ‘মন্ত্রণালয় আমাদের কাছে কাউন্সিলর ও ওয়ার্ড সচিবদের তথ্য চেয়ে দুটি ফরম পাঠিয়েছিল। আমরা তা পূরণ করে পাঠিয়েছিলাম। কিছু তথ্য অসম্পূর্ণ থাকায় তা আবার চাওয়া হয়েছে। আশা করি শিগগিরই এ সেবা চালু হবে।’
তিনি আরও জানান, তারা মন্ত্রণালয়কে আরও প্রস্তাব করেছেন, জন্ম নিবন্ধনের সংশোধনীও যাতে একই কার্যালয়ে করা যায়।
এ সেবা ওয়ার্ডে স্থানান্তরের জন্য অনেকদিন ধরে কাজ করছিলেন উত্তর সিটির জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও ২১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাসুম গণি তাপস। তিনি জানান, পুরনো ৩৬টি ওয়ার্ডে এ সেবা পৌঁছানো সম্ভব হলেও দেরি হবে নতুন ১৮টি ওয়ার্ডে।
তিনি বলেন, ‘সহকারী নিবন্ধককে অবশ্যই সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী হতে হয়। তাই নতুন ১৮টি ওয়ার্ডে সিটি করপোরেশনের নিয়োগকৃত ওয়ার্ড সচিব না থাকায় এখানে এ সেবা বিলম্বিত হতে পারে। ওয়ার্ড সচিব নিয়োগের কাজ চলছে।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উত্তর সিটির ১ নং ওয়ার্ডের সচিব নাছিম বলেন, ‘আমাদের সহকারী নিবন্ধকের দায়িত্ব দেওয়া হলে কম্পিউটার বিষয়ক প্রশিক্ষণের প্রয়োজন পড়বে।’
অন্যদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ফজলে শামসুল কবির ও খিলগাঁও অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা সুয়ে মেন জো জানিয়েছেন তারা এ ধরনের কোনও উদ্যোগ এখনও নেননি।









