চট্টগ্রাম বন্দর মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সেলিনা আক্তার শেলীর সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ এপ্রিল) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধনের আয়োজন করে সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরাম ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট।
ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সেলিনা আক্তার শেলীর সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত অগণতান্ত্রিক এবং অযৌক্তিক মন্তব্য করে সমাবেশে বক্তারা বলেন, সেলিনা আক্তার শেলী চট্টগ্রাম বন্দর মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এবং একজন কবি। ফেসবুকের একটি ফান পোস্টকে অজুহাত করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে। এমনকি ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টের অধীনে মামলা করা হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি জানিয়েছে। তার পোস্ট ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এহেন ফান পোস্টকে কেন্দ্র করে কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্ত অগণতান্ত্রিক এবং অযৌক্তিক।
তারা বলেন, ‘যে কোনও বিষয়ে মানুষ তার মতামত দেবে এটা সংবিধান স্বীকৃত অধিকার। সেই অধিকারকে ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টের মামলার হুমকি দিয়ে খর্ব করা হচ্ছে।
নেতারা আরও বলেন, ‘একজন শিক্ষক তার একটি মতামত মজা করে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন। কিন্তু এজন্য তার বহিষ্কার কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। এই সিদ্ধান্ত অগণতান্ত্রিক এবং অযৌক্তিক। অবিলম্বে তার বরখাস্তের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা প্রয়োজন।
এসময় সমাবেশ থেকে নেতারা অবিলম্বে সেলিনা আক্তার শেলীর বরখাস্তের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরাম ঢাকা নগর শাখার সভাপতি সেলিনা ইয়াসমিন কনার সভাপতিত্বে ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক সুস্মিতা মরিয়মের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ ঢাকা মহানগর শাখার সদস্য সচিব জুলফিকার আলী, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মুক্তা বাড়ৈ, সাংগঠনিক সম্পাদক রাজীব কান্তি রায়, সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরাম ঢাকা নগর শাখার সাধারণ সম্পাদক রুখশানা আফরোজ আশা প্রমুখ।









