ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে করা মামলার রায় কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘোষণা করা হবে। এ রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর সামনে ভিড় করেছেন উৎসুক জনতা।
সোমবার (১৭ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে রায় ঘোষণার জন্য বসেছেন আদালত। বিভিন্ন ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে সেখানে হাজির হয়েছেন জুলাই আন্দোলনে স্বজন হারানোদের পরিবার ও আহত জুলাই যোদ্ধারা।
এ সময় তারা জুলাইয়ে গণহত্যায় জড়িতদের সর্বোচ্চ সাজা নিশ্চিততে দাবি জানান। এর মধ্যে রয়েছেন শহিদ মীর মুগ্ধের ভাই মীর মাহফুজুর রহমান স্নিগ্ধ, যাত্রাবাড়ীতে গুলিতে শহীদ ইমাম হাসান তাইয়িমের বড় ভাই রবিউল আউয়াল ও মায়ের ডাক-এর সমন্বয়ক সানজিদা ইসলাম তুলিসহ অনেকের স্বজনরা।
এছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েমসহ জুলাই আন্দোলনে সম্পৃক্ত বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা প্রবেশ করেছেন। অপরদিকে বাইরে রায়ের সংবাদ পরিবেশনের জন্য দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমের বিপুল সংখ্যক সংবাদকর্মী উপস্থিত রয়েছেন।
ট্রাইব্যুনাল চত্বরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা রয়েছেন সতর্ক অবস্থানে।
এ দিন সকালেই রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনকে হাজির করা হয়েছে ট্রাইব্যুনালে। ঐতিহাসিক এই রায় ঘোষণা সরাসরি সম্প্রচার করবে বিটিভি ও বার্তা সংস্থা রয়টার্স। এছাড়া ট্রাইব্যুনালের ফেসবুক পেজ থেকেও সরাসরি দেখানো হবে। পাশাপাশি ঢাকার ১০টি পয়েন্টে দেখা যাবে বড় পর্দায়। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আদালত প্রাঙ্গণসহ রাজধানীজুড়ে রাখা হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
এদিকে, শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের খালাস পাওয়ার আশা করছেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আসামিপক্ষের আইনজীবী আমির হোসেন।








