পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, পরিবেশ মন্ত্রণালয়কে আরও জনমুখী মন্ত্রণালয়ে পরিণত করা হবে। বিভিন্ন প্রকার দূষণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে আমরা দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করবো।
রবিবার (১১ আগস্ট) সচিবালয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। এর আগে সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানকে সচিবালয়ে স্বাগত জানান মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শহীদদের রূহের মাগফিরাত কামনা করে উপদেষ্টা বলেন, ‘মন্ত্রণালয়ের কর্মকাণ্ডে শিক্ষার্থী প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে। মন্ত্রণালয় ও এর অধীন দফতরগুলোর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাজে গতিশীলতা বৃদ্ধিতে মোটিভেশনাল কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবো আমরা।’
তিনি বলেন, ‘পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের বাধ্যতামূলক কর্মকাণ্ড চলমান রেখে বর্তমান জনপ্রত্যাশার আলোকে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হবে। পলিথিন ও একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিকের ব্যবহার রোধ, বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ, গাড়ির হর্নজনিত শব্দদূষণ বন্ধ, নদীদূষণ রোধে উদ্যোগ গ্রহণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমের উন্নয়ন, পাহাড় রক্ষা, বন সংরক্ষণ, জলাশয় ভরাট রোধ, উচ্চ আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন কার্যক্রম অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করা হবে।’
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘পরিবেশ সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের মন্ত্রণালয়ের কাজে সম্পৃক্ততা বাড়ানোর লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক ও জাতীয় সংস্থা, সংগঠন, নাগরিক সমাজ, গণমাধ্যম, প্রাইভেট সেক্টর, শিক্ষাবিদ, পেশাজীবীসহ অন্যান্যে সঙ্গে জাতীয় ও বিভাগীয় পর্যায়ে ধারাবাহিকভাবে মতবিনিময় করা হবে। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় ও অধীন দফতরগুলোতে অভিযোগ নিষ্পত্তি কার্যক্রমে গতিশীলতা আসবে। পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের লক্ষ্যে নিয়মিত জাতীয় পরিবেশ কমিটির সভা আহ্বান করা হবে। জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতে মন্ত্রণালয় ও অধিদফতরের সিদ্ধান্তগুলো ওয়েবসাইটে হালনাগাদ হবে নিয়মিত।’
সভায় মন্ত্রণালয়ের সচিব, অতিরিক্ত সচিবসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।









