তিন মাসের মজুদ আছে, সমস্যা হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
১০ এপ্রিল ২০১৭, ১৪:১৮আপডেট : ১০ এপ্রিল ২০১৭, ১৪:২৪

পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের পুড়ে যাওয়া গোডাউন পরিদর্শন করছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজধানীর মহাখালীতে পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের আগুন লেগে জন্ম নিয়ন্ত্রণ সামগ্রী পুড়ে গেলেও দেশে এসব সামগ্রীর তিন মাসের মজুদ আছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনামন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। তিনি বলেছেন, দেশের আঞ্চলিক ও উপজেলা পর্যায়ের গোডাউনগুলোতে আগামী তিন মাসের জন্ম নিয়ন্ত্রণ সামগ্রীর মজুদ আছে। তাই সাময়িকভাবে কোনও অসুবিধা হবে না। দেশে জন্ম নিয়ন্ত্রণ সামগ্রীর ঘাটতিও হবে না।
সোমবার (১০ এপ্রিল) মহাখালীর সাততলা মোড়ে পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের পুড়ে যাওয়া গোডাউন পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এসব কথা বলেন। ওই গোডাউন পরিদর্শনে দুপুর ১টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছান তিনি। প্রায় আধাঘণ্টা ধরে পুড়ে যাওয়া গোডাউন পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
এসময় মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘গোডাউনে আগুন লাগার ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তসাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ আগুনে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাপের কাজ চলছে বলেও জানান তিনি।
পরিবার পরিকল্পনার সব ধরনের সামগ্রী সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত এই গোডাউনের সমালোচনা করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি এই পুরনো গোডাউন দেখে বিস্মিত হয়েছি। এখানে অনেক জনগুরুত্বপূর্ণ সামগ্রী থাকে। অত্যন্ত আধুনিক গোডাউন ছাড়া এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব নয়।’
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে গঠিত ওই সাত সদস্যের তদন্ত কমিটির বাইরেও পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের পক্ষ থেকেও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটিকে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। এছাড়া, পুড়ে যাওয়া সামগ্রীর হিসাবের জন্য একটি ইনভেনটরি কমিটিও গঠন করা হয়েছে।
এসময় জানানো হয়, দেশের মোট ৪৮৮টি উপজেলায় ও ২১টি আঞ্চলিক গোডাউনে পরিবার পরিকল্পনার বিভিন্ন সামগ্রীর তিন মাসের মাসের মজুদ আছে।

উল্লেখ্য, শনিবার (৮ এপ্রিল) দিবাগত রাতে রাজধানীর মহাখালীর সাততলা মোড় এলাকায় পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের মালিকানাধীন একটি গোডাউনে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের ১৪টি ইউনিট কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এই গোডাউনে জন্ম নিয়ন্ত্রণের সব ধরনের পদ্ধতি ও সামগ্রী সংরক্ষণ করা হতো।

/জেএ/টিআর/

সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
ইরানি ইসলামি শাসনবিরোধী শিল্পী মারজান সাত্রাপির প্রয়াণ
ইরানি ইসলামি শাসনবিরোধী শিল্পী মারজান সাত্রাপির প্রয়াণ
হজে গিয়ে পাসপোর্ট হারালে যা করবেন
হজে গিয়ে পাসপোর্ট হারালে যা করবেন
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী