চার যুক্তিতে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট দায়ের করা হয়েছিল। ওই রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন তিন মাসের জন্য স্থগিত করেন হাইকোর্ট।
রবিবার (৬ মে) রিটের চারটি যুক্তির পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি জাফর আহমদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
রিট আবেদনের চারটি যুক্তি সম্পর্কে মামলার ফাইলিং আইনজীবী সৈয়দ মো. রেজাউর রহমান রেজা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘চারটি যুক্তিতে আদালতে রিট দায়ের করা হয়। এসব যুক্তি হলো এক. শিমুলিয়াকে সিটি করপোরেশন হিসেবে অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি ঢাকা জেলা প্রশাসনকে জানানো হয়নি; দুই. এক জেলার নাগরিকদের আরেক জেলায় অন্তর্ভুক্তকরণে যে প্রশাসনিক নিয়ম, তা অনুসরণ করা হয়নি; তিন. ২০১৩ সালে সাভারের ছয়টি মৌজাকে (শিমুলিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ বড়বাড়ী, ডোমনা, শিবরামপুর, পশ্চিম পানিশাইল, পানিশাইল ও ডোমনাগ) গাজীপুর সিটি করপোরেশনের অন্তর্ভুক্ত করায় স্থানীয় বাসিন্দারা দ্বৈত নাগরিক ও দ্বৈত ভোটার বিবেচিত হন (শিমুলিয়া ইউনিয়ন ও গাজীপুর সিটি করপোরেশন); এবং চার. ওই ছয়টি মৌজা গাজীপুর সিটি করপোরেশনের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা দ্বৈত নাগরিক হওয়ার তাদের দুই জায়গাতে ট্যাক্স দিতে হবে, যা অবৈধ।
রিট আবেদনের শুনানি শেষে সাভারের শিমুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ছয়টি মৌজাকে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের অন্তর্ভুক্ত করে ২০১৩ সালের ১৬ জানুয়ারি, গত ৪ মার্চের গেজেট এবং গত ৩ এপ্রিল গাজীপুর সিটি নির্বাচন সংক্রান্ত তফসিল কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সচিব, ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (সিটি করপোরেশন-২), ঢাকা জেলা প্রশাসক, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ ৯ জনকে ৪ সপ্তাহের মধ্যে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
তফসিল অনুযায়ী আগামী ১৫ মে গাজীপুর সিটি নির্বাচনের ভোট নেওয়ার কথা ছিল। এ নির্বাচনকে ঘিরে প্রচারণাও চালাচ্ছিলেন প্রার্থীরা।







