গ্রেফতার বিষয়ে আপিল বিভাগের নির্দেশনা ভঙ্গ করে বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকায় রাজনৈতিক নেতা, সমর্থক ও প্রচারকারীদের গ্রেফতার ও হয়রানি না করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন হাইকোর্ট।
একইসঙ্গে বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকায় বিএনপির নেতা, কর্মী, সমর্থক, ভোটের প্রচারণাকারীদেরকে মহানগর পুলিশের গণগ্রেফতার, হয়রানি করা কেন অবৈধ ও আইন বর্হিভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
চার সপ্তাহের মধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সচিব, নির্বাচন কমিশন, পুলিশের মহাপরিদর্শক, বরিশালের পুলিশ কমিশনার ও পুলিশ সুপারকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বৃহস্পতিবার (২৬ জুলাই) বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল জারিসহ আদেশ দেন।
আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করের অ্যাডভোকেট সগীর হোসেন লিওন।
পরে সগীর হোসেন লিওন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সেখানে বিএনপির নেতা, সমর্থক ও প্রচারকারীদের গ্রেফতার ও হয়রানি না করার নির্দেশনা চেয়ে গত ২৫ জুলাই হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত বৃহস্পতিবার নির্দেশনাসহ রুল জারি করেন।’
প্রসঙ্গত, গত ২৯ মে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরিশালসহ তিন সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর তা ১৩ জুন থেকে কার্যকর হয়। নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী বরিশাল সিটি নির্বাচনে ভোট গ্রহণ হবে আগামী ৩০ জুলাই।
বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে একজন মেয়র, ৩০ ওয়ার্ডে ৩০ জন সাধারণ কাউন্সিলর এবং নারীদের জন্য সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে আরও ১০ জনকে নির্বাচিত করা হবে। বরিশাল সিটিতে এবার ভোটার সংখ্যা দুই লাখ ৪২ হাজার ১৬৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার এক লাখ ২১ হাজার ৪৩৬ জন এবং নারী ভোটার এক লাখ ২০ হাজার ৭৩০ জন।
তবে এই নির্বাচনের আগে আপিল বিভাগের আদেশ অমান্য করে বিএনপির নেতাকর্মীদের যেন গ্রেফতার না করা হয়, তার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়।







