এসকে সিনহার বিরুদ্ধে মামলার চার্জশিট অনুমোদন

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৫:৪৯, ডিসেম্বর ০৪, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৭:৩৭, ডিসেম্বর ০৪, ২০১৯

এসকে সিনহা

ফারমার্স ব্যাংকের (বর্তমানে পদ্মা ব্যাংক) চার কোটি টাকা আত্মসাতে জড়িত থাকার অভিযোগে সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহাসহ (এসকে সিনহা) ১১ জনের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার চার্জশিট অনুমোদন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার (৪ ডিসেম্বর) কমিশনের সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
দুদকের মহাপরিচালক (বিশেষ তদন্ত) সাঈদ মাহবুব খান এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, মৃত হিসেবে প্রমাণ মেলায় চার্জশিট থেকে এক আসামির নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। আর নতুন একজনের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
যার নাম বাদ দেওয়া হয়েছে তিনি হলেন সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও গুলশান শাখার সাবেক ব্যবস্থাপক মো. জিয়া উদ্দিন আহমেদ। নতুন করে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে ব্যাংকটির অডিট কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক চিশতী ওরফে বাবুল চিশতীকে।
গত ১০ জুলাই ঋণ জালিয়াতি এবং ৪ কোটি টাকা আত্মসাতে জড়িত থাকার অভিযোগে এসকে সিনহাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১-এ দায়ের এ মামলার বাদী হলেন দুদকের পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন।
চার্জশিটে নাম থাকা বাকিরা হলেন—ফারমার্স ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এ কে এম শামীম, ব্যাংকটির সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সাবেক ক্রেডিট প্রধান গাজী সালাহউদ্দিন, ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট স্বপন কুমার রায়, গুলশান শাখার ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট শাফিউদ্দিন আসকারী, ভাইস প্রেসিডেন্ট লুৎফুল হক, এসকে সিনহার কথিত পিএস রণজিৎ চন্দ্র সাহা, রণজিতের স্ত্রী সান্ত্রী রায় সিমি, টাঙ্গাইলের মো. শাহজাহান ও নিরঞ্জন সাহা।
দুদক জানায়, আসামি মো. শাহজাহান ও নিরঞ্জন চন্দ্র সাহা ২০১৬ সালের ৬ নভেম্বর ফারমার্স ব্যাংকের গুলশান শাখায় দুটি চলতি হিসাব খোলেন। ৭ নভেম্বর তারা ২ কোটি করে ৪ কোটি টাকা ঋণের আবেদন করেন। ব্যাংক হিসাব খোলা ও ঋণ আবেদনপত্রে দুজনই বাড়ি নম্বর ৫১, সড়ক নম্বর ১২, সেক্টর ১০, উত্তরা আবাসিক এলাকা—এই ঠিকানা উল্লেখ করেন। ওই বাড়ি সাবেক প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার ব্যক্তিগত সম্পত্তি। ঋণ আবেদনে জামানত হিসেবে রণজিৎ চন্দ্র সাহার স্ত্রী সান্ত্রী রায় সিমির সাভারের ৩২ শতাংশ জমি দেখানো হয়। এই দুজনই এসকে সিনহার পূর্বপরিচিত।
দুদক জানায়, ঋণ আবেদন দুটি কোনোরকম যাচাই-বাছাই করা হয়নি। রেকর্ডপত্র বিশ্লেষণ এবং ব্যাংকের কোনও নিয়মনীতিও মানা হয়নি।

/ডিএস/এআর/এইচআই/এমএমজে/

লাইভ

টপ