বেসরকারি টিভি চ্যানেল মনিটর করছেন ১৫ কর্মকর্তা

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২১:১২, মার্চ ২৬, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ২২:৫৭, মার্চ ২৬, ২০২০

 

টিভি মনিটরিংয়ে ১৫ কর্মকর্তাকরোনা ইস্যুতে গুজব বা অপপ্রচার রোধে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলগুলো মনিটরিংয়ের জন্য ১৫ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বুধবার (২৫ মার্চ) তথ্য মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয় দেশের বেসরকারি সব টিভি চ্যানেল সার্বক্ষণিক মনিটরিং চলছে।

এ বিষয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মিজান উল আলম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হচ্ছে।  দায়িত্ব পাওয়া কর্মকর্তারা বাসায় থেকেও মনিটরিং করছেন। আমরা চাই সঠিক ও বস্তুনিষ্ট সংবাদ পরিবেশিত ও প্রচারিত হোক।’

মনিটরিংয়ে কোনও অপপ্রচার বা গুজবের খবর পরিবেশনের চিত্র পাওয়া গেছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা এখনও সে রকম কিছু পাইনি।’

দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে উপসচিব পর্যায়ের কর্মকর্তা রুজিনা সুলতানা যমুনা ও দ্বীপ্ত টিভি, মোহাম্মদ নূরে আলম সিদ্দীকি এটিএন বাংলা ও চ্যানেল আই, গোলাম আজম আরটিভি ও বৈশাখী টিভি, শাহানারা বেগম বাংলা ভিশন ও দেশ টিভি, নাসরিন পারভীন মাই টিভি ও বিজয় টিভি, এবিএম মাহবুব হোসেন মোহনা টিভি ও বিজয় টিভি, মো. কাউসার আহাম্মদ সময় টিভি ও ইনডিপেনডেন্ট টিভি, মো. সাইফুল আলম মাছরাঙা টিভি ও চ্যানেল-৯, মো. আখতারুজ্জামান চ্যানেল২৪ ও গাজী টিভি মনিটরিং করছেন।

সহকারী সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে সহকারী সচিব মোহা. মনিরুল ইসলাম গান বাংলা ও এসএ টিভি, মো. মোতাল্লেব হোসাইন চ্যানেল একাত্তর ও এশিয়ান টিভি, মো. আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ডিবিসি নিউজ ও নিউজ২৪ এবং মো. ফিরোজ খান বাংলা টিভি ও দূরন্ত টিভি মনিটরিং করছেন।

এছাড়া সিস্টেম এনালিস্ট মো. মাহবুবুল কবীর সিদ্দিকী নাগরিক টিভি ও আনন্দ টিভি মনিটরিং করছেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

 

তবে গুজব খুঁজতে টেলিভিশন চ্যানেল মনিটরিংয়ের সিদ্ধান্তে বিস্ময় প্রকাশ করেছে সম্প্রচার সাংবাদিক কেন্দ্র-বিজেসি। সংগঠনটির চেয়ারম্যান রেজোয়ানুল হক ও সদস্য সচিব শাকিল আহমেদ এক বিবৃতিতে বলেন, করোনা মোকাবিলায় দেশের সম্প্রচার সংবাদিকরা যখন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দিনরাত কাজ করছেন ও জনগণকে সচেতন করছেন তখন টেলিভিশনে “গুজব” খোঁজার জন্য তথ্য মন্ত্রণালয়ের ১৫ সদস্যের সেল গঠন বিস্ময়কর; অনভিপ্রেত ও হতাশাজনক। ওই সিদ্ধান্তে সম্প্রচার সংবাদকর্মীরা হতবাক হয়েছেন।


সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যখন গুজব ছড়ায় তখন বাংলাদেশে টেলিভিশনগুলো প্রকৃত তথ্য তুলে ধরেছে। সম্প্রতি লবণসহ নিত্যপণ্য সংকটের গুজব মোকাবিলা তার উদাহরণ। সম্প্রচার সংবাদকর্মীরা সবসময় বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় বিশ্বাসী এবং দেশের প্রতি দায়বদ্ধ।
বিজেসি তথ্য মন্ত্রণালয়ের এই মনিটরিং সেল গঠনের সিদ্ধান্ত অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানায়।

/এসএমএ/টিটি/

লাইভ

টপ